Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Kangana Ranaut

ফের বিপাকে কঙ্গনা! অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ কৃষক আন্দোলনের সেই বৃদ্ধা

এই মহিলাকেই কঙ্গনা ‘শাহিনবাগের দাদি’ বিলকিস বানো বলে ভুল করেছিলেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২১, ১৪:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২১, ১৪:৫৭

options
link
ফের বিপাকে কঙ্গনা! অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ কৃষক আন্দোলনের সেই বৃদ্ধা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সমস্যা আর পিছু ছাড়ছে না কঙ্গনা রানাউতের (Kangana Ranaut)। গতকালই সোশ্যাল মিডিয়ায় হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে বান্দ্রা মেট্রোপলিটন কোর্টের নির্দেশ মেনে থানায় গিয়ে স্টেটমেন্ট রেকর্ড করিয়েছেন অভিনেত্রী। সঙ্গে ছিলেন তাঁর দিদি রঙ্গোলি। আর এবার তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন পাঞ্জাবের মহিন্দর কৌর। এই মহিলাকেই কঙ্গনা ‘শাহিনবাগের দাদি’ (Shaheen Bagh Dadi) বিলকিস বানো বলে ভুল করেছিলেন। সেই টুইট নিয়ে প্রবল বিতর্কের পর সেটি মুছেও দিয়েছিলেন তিনি।

সেই টুইটকে কেন্দ্র করেই এবার পাঞ্জাবের এক আদালতের দ্বারস্থ বর্ষীয়ান মহিন্দর। বলি তারকার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারায় সম্মানহানির মামলা দায়ের করেছেন তিনি। আগামী ১১ জানুয়ারি আদালতে শুনানির দিন। কিন্তু ঠিক কী করেছিলেন কঙ্গনা? কৃষক আন্দোলনে (Farmers protest) যোগ দেওয়া ওই বৃদ্ধাকে বিলকিস বানোর (Bilkis Bano) সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে বিরূপ মন্তব্য করে টুইট করেছিলেন তিনি। লিখেছিলেন, “হা! হা! ইনি তো সেই দাদি, যাঁকে টাইমস ম্যাগাজিনের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের তালিকায় রাখা হয়েছিল। এঁকে তো ১০০ টাকার বিনিময়েই পাওয়া যায়।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: রিয়াকে আলিঙ্গনের ছবি পোস্ট করেই মুছে ফেললেন ‘বন্ধু’ রাজীব, তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া]

এরপরই শুরু হয় প্রবল বিতর্ক। বেগতিক দেখে কঙ্গনা টুইটটি মুছেও দেন। কিন্তু ততক্ষণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেটির স্ক্রিনশট। মিকা সিং, দিলজিৎ দোসাঞ্জের মতো বলি তারকা ও বক্সার বিজান্দার সিংয়ের মতো সেলেবরা কড়া সমালোচনা করেন ‘কন্ট্রোভার্সি ক্যুইন’ কঙ্গনার।

আদালতে ৭৩ বছরের মহিন্দর কউর জানিয়েছেন, কঙ্গনার ওই টুইটের কারণে তাঁকে প্রবল মানসিক হেনস্তা ও অবমাননার মধ্যে পড়তে হয়েছে। তাঁর মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হয়েছে। পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন এবং আমজনতার কাছে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, এমন বিশ্রী ভুল করার পর ক্ষমাও চাননি কঙ্গনা। এর আগে ওই বিতর্কের শুরুতেও কঙ্গনাকে কটাক্ষ করেছিলেন মহিন্দর। জানিয়েছিলেন, এই বয়সেও তিনি যথেষ্ট পরিশ্রম করেন। কাস্তে দিয়ে ফসল কাটেন এবং ফসলের যত্ন নেন নিয়মিত। বলেছিলেন, ‘‘আমি কী করব একশো টাকা দিয়ে? আমার তিন মেয়েরই বিয়ে হয়ে গিয়েছে। ছেলে তার স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে আমার সঙ্গে থাকে।’’

[আরও পড়ুন: সুশান্তের স্বপ্নপূরণ করতে নতুনভাবে তৈরি হবে ‘চন্দা মামা দূর কে’, অভিনেতার বিকল্প কে?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.