সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘অযোগ্য’ ছবির অন্যতম মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শিলাজিৎ। ট্রেলারে ইতিমধ্যেই তাঁর চরিত্রের ঝলক মিলেছে। কৌশিকের ফ্রেমে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর স্বামীর ভূমিকায় ধরা দিয়েছেন শিলাজিৎ। এবার গায়ক-অভিনেতাকে ‘শয়তান’ তকমা পরিচালকের। কিন্তু কেন? তাহলে কি পরিচালক-অভিনেতার মধ্যে কোনও মনোমালিন্য ঘটেছে?
বিষয়টি একটু খোলসা করেই বলা যাক। কৌশিক-শিলাজিতের বন্ধুত্ব আসলে বহু দিনের। গায়কই প্রথমটায় পরিচালককে ‘শয়তান খোপরি’ বলে ডাকা শুরু করেন। কেন? তার উত্তরে কৌশিক জানিয়েছেন, তাঁর মাথায় নাকি নানান আইডিয়া আসে বলেই শিলাজিৎ তাঁর এই নাম রেখেছেন। এরপরই ‘অযোগ্য’ পরিচালকের মন্তব্য, “ও নিজে কি কম ‘শয়তান খোপরি’? কতো কি করে ও! ‘অযোগ্য’ দেখলে সবাই বুঝবেন ও কত ভালো ও শয়তান অভিনেতা।” পোস্টে শিলাজিৎ-কৌশিকের খুনসুঁটিও ফুটে উঠেছে।
আগামী ৭ জুন প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘অযোগ্য’। এই ছবির সুবাদেই সিনেজগতে রেকর্ড গড়ে ফেললেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত ধরেই ৫০তম সিনেমায় জুটি বেঁধেছেন তাঁরা। এই দুজনের সঙ্গেই আবার রয়েছেন শিলাজিৎ মজুমদার। তিনজনকে নিয়ে জটিল সম্পর্কের আবর্ত তৈরি করেছেন পরিচালক।
[আরও পড়ুন: বিপদে ঐশ্বর্য! কান থেকে ফিরেই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন বচ্চনবধূ, কিন্তু কেন?]
View this post on Instagram
ছবিতে প্রসেনজিৎ নিজের চরিত্রকে ‘প্রসেন’ নামেই ব্যাখ্যা করছেন। অন্যদিকে ঋতুপর্ণার চরিত্রের নাম ‘পর্ণা’। এই দুজনের মাঝেই আছে ‘রক্তিম’। রক্তিমের চরিত্রে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছেন শিলাজিৎ। ট্রেলার (Ajogyo Movie Trailer) দেখে যেটুকু আভাস পাওয়া যাচ্ছে তাতে, ছোটবেলার সঙ্গী প্রসেন ও পর্ণা। আর পর্ণার বর্তমান জীবনসঙ্গী রক্তিম। বর্তমানের টালমাটাল সম্পর্কেই প্রাক্তনের ছায়া নিয়ে আসে প্রসেন। এর পরিণতি কী হবে? জানতে ৭ জুন অবধি অপেক্ষা করতেই হবে।
[আরও পড়ুন: ‘ওজন বাড়িয়ে আত্মবিশ্বাস হারিয়েছেন’, কান লুক নিয়ে ঐশ্বর্যকে বডি শেমিং সুদীপার!]
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!