সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাধারণত সম্পর্ক ভেঙে গেলে, প্রাক্তনরা একে অপরকে ভুলে যান কিংবা একে অপরের নামে তিক্ততা ছড়াতে থাকেন। তবে সবার ক্ষেত্রে যে এমনটা ঘটে, তা নয়। ঠিক যেমন অভিনেত্রী কীর্তি কুলহারি। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পরও, নিজের কেরিয়ার গ্রোথের জন্য প্রাক্তন স্বামীকেই ধন্যবাদ জানাতে চান কীর্তি। এমনকী, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কীর্তি কুলহারি স্পষ্ট জানান, ছবিতে যৌনদৃশ্যের ব্যাপারে প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকেই টিপস নেন কীর্তি! ২০১৬ সালে কীর্তি বিয়ে করেন সাহিল সেহগালকে।
কয়েকদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে কীর্তি (Kirti Kulhari) অভিনীত ওয়েব সিরিজ ‘ফোর মোর শটস প্লিজে’র নতুন সিজন। এই সিরিজে কীর্তিকে অভিনয় করতে হয়েছে একাধিক যৌনদৃশ্যে। কীর্তি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ” আমার বিয়ে হয় ২০১৬ সালে। সাহিলের মধ্যে বিন্দুমাত্র নিরাপত্তাহীনতা ছিল না। সাহিল কখনও বলত না, পর্দায় তুমি চুমু খেতে পারবে না বা কোনও অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতে পারবে না, সবচেয়ে বড় ব্যাপার আমাকে সাহিলই আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল, সমর্থন করেছিল চরিত্রের প্রয়োজনে সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করতে। এমনকী, সাহিল আমাকে ছোটখাটো টিপসও দিতে এ ব্যাপারে।”
এই সাক্ষাৎকারে কীর্তি আরও জানান, ‘সাহিলের সঙ্গে একসঙ্গে না থাকলেও, আমাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। যে কোনও বিষয়েই আমি পাশে পাই সাহিলকে।’
View this post on Instagram
[আরও পড়ুন: সিপিআরে সাড়া দিলেন ঐন্দ্রিলা, সুস্থ হয়ে ফিরুক অভিনেত্রী, প্রার্থনা ঋতুপর্ণা-ঊষসীর ]
সোশ্যাল মিডিয়াতেই কীর্তি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন স্বামী সাহিলের সঙ্গে আলাদা হওয়ার কথা। পোস্ট করেছিলেন স্বামীর সঙ্গে ছবিও। সম্পর্ক কেটে গেলেও, কীর্তির মনে যে এখনও বড় একটা জায়গা করে রেখেছেন কীর্তি। তা স্পষ্ট করেছেন এই সাক্ষাৎকারেই।
View this post on Instagram
[আরও পড়ুন: নীরব মোদির চরিত্রে সুুনীল শেট্টি! ‘ফাইল নম্বর ৩২৩’ ছবিতে নতুন অবতারে অভিনেতা]
সর্বশেষ খবর
-
বেতনের নথি সইয়ে অনীহা প্রশাসকদের! পরিচালন সমিতি ভাঙায় সমস্যায় স্কুলের পার্শ্বশিক্ষকরা
-
রাম মন্দির দর্শনে বাধা কংগ্রেস নেতা অজয় রাইকে! অযোধ্যায় ‘গৃহবন্দি’ করল যোগীর পুলিশ
-
ছুটছেন এমবাপে-ডেম্বেলেরা, সুইডেনের বিরুদ্ধে নামার আগে দেশঁর মাথাব্যথা নিজের দলই!
-
‘একেবারে মেরুদণ্ডহীন-চটিচাটা’, মোদির প্রশংসা করতেই কেন কটাক্ষের শিকার মাধবন?
-
এখনও জ্বলছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যাল, বন্ধ ট্রেন চলাচল, ক্ষোভে ফুঁসছেন শ্রমিকরা