মহিলাদের ডিম্বাণু সংরক্ষণ প্রক্রিয়াটি আজ স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। মায়ানগরীর সেলেবপাড়ার বহু নায়িকাই এই প্রক্রিয়ার সাহায্যে মা হয়েছেন। কারও কাছে আবার বড় পর্দায় নিজেকে পারফেক্ট দেখাতে ডিম্বাণু সংরক্ষণই সেরা উপায়। সেই তালিকায় রয়েছেন বলিউডের গ্ল্যাম ডিভা কৃতী শ্যানন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন অভিনেত্রী। চরিত্রের প্রয়োজনে মেদবৃদ্ধির মুহূর্তে কেন ডিম্বাণু সংরক্ষণকে উপযুক্ত সময় বলে মনে করেছিলেন?
এই মুহূর্তে কবীর বেহেরার সঙ্গে কৃতী শ্যাননের সম্পর্ক নিয়ে জোর জল্পনা। সেলেব পাপারাজ্জিদের ক্যামেরাবন্দি হতেই যুগলের প্রেমচর্চা আরও জোরাল হচ্ছে। যদিও এবিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন কৃতী। তবে শ্যালিকার সমর্থনে মুখ খুলেছেন ভগ্নিপতি। সঠিক সময়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান। এর মাঝেই আলোচনার কেন্দ্রে কৃতীর ডিম্বাণু সংরক্ষণ।
আরও পড়ুন:

কবীরকে নিয়ে একটি শব্দ খরচ না করলেও, এক্ষেত্রে কোনও রাখঢাক করেননি। এর সঙ্গে পরোক্ষভাবে সিনেমার যোগ থাকায় সম্ভবত প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। জাতীয় পুরস্কারজয়ী ছবি ‘মিমির জন্য ডিম্বাণু সংরক্ষণ করতে হয়েছিল মিমিকে। চরিত্রের প্রয়োজনে অনেকটা ওজন বৃদ্ধি করতে হয়েছিল। ডিম্বাণু সংরক্ষণের ফলে শারীরিক পরিবর্তন ঘটে। শরীরের একটা ফোলাভাব বজায় রাখা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়। তাই কোনওরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া এই পদ্ধতিতে ডিম্বাণু সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কৃতী।
সংশ্লিষ্ট পডকাস্টের সঞ্চালককে অভিনেত্রী বলেন, “আমি এই বিষয়টি প্রথমবার প্রকাশ্যে বলছি। আমি ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছি। খুব বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ‘মিমি’র সময় এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছি। এই প্রক্রিয়ায় শরীরে ফোলাভাব আসে আর তখন যেহেতু চরিত্রের জন্য আমার ওজন বাড়াতেই হচ্ছিল তাই সেটাই ছিল সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।”

তিনি আরও জানান, এক পরিচিত ব্যক্তি তাঁকে ডিম্বাণু সংরক্ষণের পরামর্শ দিয়েছিলেন। একজন নারীর জীবনে এটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেই পাঠ পড়িয়েছিলেন কৃতীকে। সেই পরমার্শ মেনেই ডিম্বাণু সংরক্ষণের ভাবনাকে বাস্তবায়িত করেছিলেন। এই পদ্ধতি ‘মিমি’র চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে সাপে বর হয়েছিল। কারণ এই ছবির জন্য নির্মেদ নয়, প্রয়োজন ছিল একটু স্বাস্থ্যবান নায়িকা। ডিম্বাণু সংরক্ষণের ফলে শরীরে ফোলাভাব তৈরি হয়, ওজন খানিকটা বৃদ্ধি পায়।

কৃতির মতে, এই সময়ে ডিম্বাণু সংরক্ষণ করা ছিল সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত। কারণ এই প্রক্রিয়ায় হরমোনের ইনজেকশন নিতে হয় যার ফলে সাময়িকভাবে শরীরে ফোলাভাব ও ওজন বৃদ্ধি হয়। যেহেতু ছবির প্রয়োজনে আগে থেকেই ওজন বৃদ্দির জন্য কসরত করছিলেন তাই শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হয়নি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পাঁচ বছরের নাতনিকে যৌন নির্যাতন, লালসার শিকার আরও দুই! নদিয়ায় গ্রেপ্তার ঠাকুরদা
-
ফ্ল্যাট-রিসর্ট থেকে কেজি কেজি সোনা, পুলিশকর্তার ৩০০ কোটির বেআইনি সম্পত্তির হদিশ!
-
‘শেষ’ করেছেন দুই দেশের সোনালি প্রজন্ম, এবার রোনাল্ডোদের স্বপ্নভঙ্গ করে পদত্যাগ কোচ মার্তিনেজের
-
‘স্বপ্নই দেখুন, বাগরাম পাবেন না’, ট্রাম্পকে কড়া হুঁশিয়ারি তালিবানের
-
দেহ রাখতে চলেছে ফ্রিজ! বুঝে নিন সহজেই, স্রেফ এই বিষয়গুলি খেয়াল রাখুন