Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Mimi Chakraborty

রোগা হতে ইঞ্জেকশন! সৌন্দর্যের অপ্রিয় সত্য জানালেন মিমি চক্রবর্তী

কেন ফটোশপের পক্ষপাতী নন, সেকথাও জানিয়েছেন তারকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৩, ১৭:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৩, ১৭:৪৪

options
link
রোগা হতে ইঞ্জেকশন! সৌন্দর্যের অপ্রিয় সত্য জানালেন মিমি চক্রবর্তী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সৌন্দর্য নিয়ে মানুষের মাথাব্যথার শেষ নেই। বিশেষ করে নায়িকাদের ক্ষেত্রে। সারাক্ষণ চুলচেরা বিশ্লেষণ চলতেই থাকে। তাতে বিশেষ মাথা ঘামাতে রাজি নন মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)। সৌন্দর্যের অপ্রিয় সত্য জানালেন অভিনেত্রী-সাংসদ।

Mimi-1

Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের কয়েকটি ছবি শেয়ার করে মিমি জানান, তিনি কখনও ফটোশপের পক্ষপাতি নন। ছবিটিতে শুধু একটু কালার কারেকশন করা হয়েছে। আর ব্যাকগ্রাউন্ডটা একটু ঠিক করা হয়েছে মাত্র।

[আরও পড়ুন: বক্ষবিভাজিকায় লক্ষ্মী লকেট! তাপসীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের BJP নেত্রীর ছেলের]

এরপরই টলিউড অভিনেত্রী লেখেন, “হ্যাঁ, আমার নিজের প্রতি বিশ্বাসের অভাব একটা সময় ছিল। এর জন্য শরীরের উপর প্রচুর অত্যাচার করেছি (পাগলের মতো ডায়েট, না খেয়ে থাকা, ইঞ্জেকশন)। কখনও নিজের ছবি পছন্দ হতো না। জুম করে নিজের খামতিগুলো দেখতাম।”

Mimi-2

কেন এমনটা করতেন মিমি? কারণ নানা মানুষের নানা মন্তব্য। কারও মনে হতো নায়িকা বড্ড সাধারণ, কারও তাঁর গায়ের রং কালো মনে হতো। গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের ইঁদুর দৌড়ে টিতে থাকার জন্যই এতকিছু সইতেন মিমি। কিন্তু সময় তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আর অভিনেত্রী বুঝেছেন এগুলো নিয়ে মাথাব্যথার কোনও প্রয়োজন নেই। তাইতো আজ নিজের খামতি গুলোকে আপন করে নিয়েছেন মিমি। কারণ তিনি জানেন, “নিজের সিদ্ধান্ত যখন নিজে নিতে পারবে তখনই সুন্দর হয়ে উঠবে।”

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Mimi Chakraborty (@mimichakraborty)

[আরও পড়ুন: আত্মঘাতী আকাঙ্ক্ষা, দাবি পুলিশের, ভাইরাল অভিনেত্রীর মৃত্যুর আগের কান্নার ভিডিও]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.