সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাইরে সারি সারি পাইন গাছ। তার উপরে সাদা বরফের আস্তরণ। আর ভিতরে। কালো মনোকিনিতে যেন আগুন ঝরিয়েছেন মৌনি রায়। হানিমুনে এক্কেবারে বোল্ড অবতারে ক্যামেরার সামনে ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী। হাতে তাঁর শাঁখা, পলাও রয়েছে।

গত ২৭ জানুয়ারি বিয়ে করেন মৌনি। কোচবিহারের মেয়ের বিয়ের আসর বসে গোয়ার পাঁচতারা হোটেলে। পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে সুরজ নাম্বিয়ারকে বিয়ে করেন মৌনি। বেঙ্গালুরুর জৈন পরিবারের ছেলে সুরজ। ব্যবসা করেন দুবাইয়ে।

বিয়ের পর্ব সেরেই কাশ্মীরে পাড়ি দেন অভিনেত্রী। ভূস্বর্গেই বরফের মাঝে সময় কাটাচ্ছেন স্বামীর সঙ্গে। আর একের পর এক ছবি আপলোড করে চলেছেন।

[আরও পড়ুন: জয়ের ধারা, এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দিনহাটা পুরসভা দখল তৃণমূলের]
বরফের মাঝে এতদিন জ্যাকেট, পুলওভার কিংবা সোয়েটারে দেখা গিয়েছে মৌনিকে। তবে এবারে মাইনাস ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও মনোকিনিতে ধরা দিয়েছেন ক্যামেরার সামনে।একটি পোস্টের ক্যাপশনে মৌনি লিখেছেন, “যদি চুম্বন তুষারকণা হত আমি তোমাকে তুষারঝড় পাঠাতাম।” অন্য পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন, “বাইরে খুবই ঠান্ডা।”

গত বছরের শুরু থেকেই শোনা গিয়েছিল বিয়ে করছেন মৌনী রায়। মেহেন্দি পর্ব দিয়ে শুরু হয়েছিল গ্র্যান্ড সেলিব্রেশন। সকালে দক্ষিণী রীতিতে বিয়ে। আর গোধূলির আলো ফুটতেই একেবারে বাঙালি রীতি মেনে বৃহস্পতিবার সাত পাকে বাঁধা পড়লেন বলিউডের বাঙালি কন্যা।লালপেড়ে শাড়িতে মৌনী সকালে সেজেছিলেন মালায়ালি কনে। আর সন্ধেবেলায় লাল লেহেঙ্গায় বাঙালি কনে। পান দিয়ে মুখ ঢেকে, বিয়ের পিঁড়িতে বসে ছাদনাতলায় হাজির হন মৌনী। শোনা গিয়েছে, হানিমুন থেকে ফিরে কোচবিহারে একটি পার্টি দিতে পারেন মৌনি। ছোটবেলা যেখানে কেটেছে, সেখানকার কাছের মানুষদের সঙ্গে স্বামীর দেখা করিয়ে দিতে চান অভিনেত্রী।
View this post on Instagram
[আরও পড়ুন: এবার ‘পুষ্পা’ অবতারে হিরো আলম! বাংলাদেশের রাস্তায় সাইকেল চালিয়ে গান ধরলেন নায়ক]
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!