অসুস্থ মিঠুন চক্রবর্তী। সম্প্রতি বাইপাসের ধারের এক বেসরকারি হাসপাতালে মহাগুরুর হাতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। শুক্রবার সকালেই বিজেপির নেতা-অভিনেতাকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরাও। এদিন রাতেই আবার অসুস্থ মিঠুনকে দেখতে হাসপাতালে ছোটেন দেব।
মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে সুসম্পর্কের জেরে তৃণমূলের শাসনকালে কম কটাক্ষের শিকার হতে হয়নি দেবকে। ‘মিঠুনপ্রীতি’ নিয়ে সুপারস্টার সাংসদকে নিজের দলের অন্দরেই বহুবার সমালোচিত হতে হয়েছে। তবুও বরাবর বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের সদস্য মিঠুনের সঙ্গে বুক ঠুকে বাবা-ছেলের মতো সমীকরণ বজায় রেখেছেন দেব।
আরও পড়ুন:
লাদাখে ‘দেশু ৭’-এর শুটিং শিডিউল শেষ করে শুক্রবারই কলকাতায় পা রেখেছেন টলিউড সুপারস্টার। এইমুহূর্তে পুজো রিলিজ নিয়ে একেবারে শশব্যস্ত দেব। কারণ তিনি যেমন একাধারে এই সিনেমার প্রযোজক, মুখ্য ভূমিকাতেও অভিনয় করছেন, আবার এই ‘দেশু ৭’-এর সুবাদেই পরিচালক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন। অতঃপর দিন রাত এক করে দেবকে বর্তমানে তিন-তিনটে ভূমিকা সামলাতে হচ্ছে। উপরন্তু সাংসদের দায়দায়িত্ব তো রয়েছেই। এহেন ব্যস্ত শিডিউলের মাঝেই শুক্রবার রাতে পিতৃসম মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখতে বাইপাসের ধারের হাসপাতালে ছুটে যান নেতা-অভিনেতা। আর সেখানেই মহাগুরুকে দেখতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন দেব। সোশাল মিডিয়ায় সাক্ষাতের ছবি ভাগ করে নিয়ে মিঠুনের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি। মহাগুরুর উদ্দেশে দেবের মন্তব্য, “তুমি সবসময়েই আমার কাছে বাবার মতো। তোমার সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং যা কিছু প্রাপ্য, তার সবটাই যেন তুমি পাও— এটাই কামনাই করি।” এক ছবিতে দেবের মোবাইলের স্ক্রিনে মিঠুনকে চোখ রাখতেও দেখা যায়।

প্রসঙ্গত, মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে সুসম্পর্কের জেরে তৃণমূলের শাসনকালে কম কটাক্ষের শিকার হতে হয়নি দেবকে। ‘মিঠুনপ্রীতি’ নিয়ে সুপারস্টার সাংসদকে নিজের দলের অন্দরেই বহুবার সমালোচিত হতে হয়েছে। তবুও বরাবর বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের সদস্য মিঠুনের সঙ্গে বুক ঠুকে বাবা-ছেলের মতো সমীকরণ বজায় রেখেছেন দেব। আসলে একে-অপরের বিরোধী রাজনৈতিক দলের হওয়া সত্ত্বেও বরাবর রাজনীতির উর্ধ্বে নিজেদের সম্পর্ককে এগিয়ে রেখেছেন দেব-মিঠুন। ‘প্রজাপতি’ ছবিতে বাবা-ছেলের চরিত্রে দুজনের রসায়ন নজর কেড়েছিল। এই সাফল্যের পর ভবিষ্যতে মহাগুরুর সঙ্গে আরও কয়েকটি সিনেমা করার ইচ্ছেপ্রকাশ করেন দেব। এরপরই তৃণমূলের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় সাংসদকে। তবে দেব বরাবর বলে এসেছেন যে, “যে রাজনীতি সম্পর্ককে সম্মান দেয় না, সেই রাজনীতি আমি করি না। এটা আজকের নয়, গোড়া থেকেই আমি পালন করে এসেছি। আমার কাছে আমার সম্পর্ক, আমার কাছে আমার কাছের মানুষরা সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা কোন দল করছে, কী ভাবছেন? সেটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।” এবারও তার ব্যতিক্রম হল না।
View this post on Instagram
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
তেইশ সালেই রাজনীতিকে বিদায়! এবার ‘রামায়ণ’-এর ট্রেলার বেরতেই কেন যোগীর দরবারে সানি দেওল?
-
এত লম্বা, সত্যি! চুলের দৈর্ঘ্য ৯ ফুট, গিনেস বুকে নাম উঠল উত্তরাখণ্ডের এলোকেশী কন্যার
-
প্রেমিকাকে সোনাগাছিতে বিক্রি যুবকের! ১০০ ডায়ালে ফোন পেয়ে একঘণ্টায় হাজির পুলিশ, তারপর…
-
তথ্য ভাঁড়িয়ে ভিসার আবেদন! ২ বছর নিষিদ্ধ পাকিস্তানের উঠতি ক্রিকেটার হামজা
-
‘নিষিদ্ধ’ গাঁজাকে বৈধতা নেপালের এক প্রদেশে! বাড়ছে ‘শুকনো’ বিহারে চোরাচালানের আশঙ্কা?