Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Bengali News

করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ সলমন-অক্ষয়-বিরাটদের, রক্তদানের আরজি চিরঞ্জিবীর

হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সাড়ে ছ’শোরও বেশি মানুষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৩, ১৩:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৩, ১৩:১৭

options
link
করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ সলমন-অক্ষয়-বিরাটদের, রক্তদানের আরজি চিরঞ্জিবীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মৃত্যুপুরী বালেশ্বর। করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ভয়াবহ দুর্ঘটনা একনিমেষে কেড়ে নিয়েছে বহু প্রাণ। শয়ে শয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে দেহাংশ। কোথাও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে উঁকি দিচ্ছে হাতের খানিকটা অংশ তো কোথাও পরিজনকে হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে বাড়ির লোকেরা। আবার হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সাড়ে ছ’শোরও বেশি মানুষ।

শুক্রবার রাতের এই দুর্ঘটনায় শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। টুইটারে এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন সলমন খান, অক্ষয় কুমার, চিরঞ্জিবী, এনটিআরের মতো তারকারা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: RSS কর্মীর নালিশে কাজ, জামালপুরের সেতুতে আলোর ব্যবস্থা করলেন অভিষেক]

সলমন লিখলেন, ”শোকাহত। মৃতদের আত্মার শান্তি কামনা করি। মৃতদের পরিবারকে শক্তি দিক ঈশ্বর।”

অক্ষয় লিখলেন, ”দুর্ঘটনার ছবিগুলো দেখে হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক।”

দক্ষিণী তারকা চিরঞ্জিবী লিখলেন, হতবাক এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে। বুঝতে পারছি না কী করা উচিত। এই সময় প্রচুর রক্তের প্রয়োজন। অনুরাগীদের অনুরোধ স্বেচ্ছাসেবা সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রয়োজনীও পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

বালেশ্বর এবং তার আশপাশের নানা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুর্ঘটনায় আহতরা। রক্তের অভাবে যাতে তাঁদের প্রাণ না যায়, সেই চেষ্টাই করছেন স্থানীয়রা। তাই স্বেচ্ছায় পৌঁছে গিয়েছেন হাসপাতালে। লাইনে দাঁড়িয়ে রক্তদান করছেন যাতে রক্ত সরবরাহে সমস্যা না হয়। এর পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে যাতে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায় আহতদের, তার জন্য তৈরি ২০০ অ্যাম্বুল্যান্স। কাজ করছে ৪৫টি ভ্রাম্যমান স্বাস্থ্য পরিষেবা টিম। প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের জন্য ৫০ জন চিকিৎসক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিষেবা দিচ্ছেন। এছাড়াও ভ্রাম্যমান ফরেনসিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের দলও জরুরিকালীন পরিস্থিতিতে কাজ চালাচ্ছেন।

[আরও পড়ুন: ‘উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হবে, দুর্ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, মৃত্যুমিছিলের মাঝে আরজি রেলমন্ত্রীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.