সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছবি মুক্তি তো দূরের কথা। সিবিএফসি এখনও ছাড়পত্র দেয়নি। তা সত্ত্বেও ‘পদ্মাবতী’ নিয়ে চলছে দেদার রাজনীতি। উচ্চ পদাধীকারীরা নানারকম মন্তব্য করেই চলেছেন। আবার তা নিয়েই কেন্দ্রকে রীতিমতো তুলোধোনা করল সুপ্রিম কোর্ট। ‘পদ্মাবতী’র বিদেশে মুক্তিতে স্থগিতাদেশ চেয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। এদিন পত্রপাঠ তা খারিজ করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত।
[ ‘নিজের প্রচারে ব্যস্ত, মোদি কি ভুলে গিয়েছেন যে উনি দেশের প্রধানমন্ত্রী?’ ]
ব্রিটেনে পদ্মাবতীকে ছাড়পত্র দিয়েছিল সেদেশের সেন্সর বোর্ড। কিন্তু রাজপুত সংগঠনের চাপে তাতে বাধা পড়েছিল। এদিকে সর্বোচ্চ আদালতে এই মুক্তিতে স্থগিতাদেশ চেয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী মনোহরলাল শর্মা। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ আদালত সে আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা যেভাবে মুখ খুলছেন, তাতেও ঘোর অসন্তোষ ব্যক্ত করে সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীরা জানিয়েছিলেন, ‘পদ্মাবতী’ তাঁদের রাজ্যে মুক্তি পেলে আইনশৃঙ্খলা নষ্ট হবে। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণির মুখেও একই রা। কংগ্রেস শাসিত পাঞ্জাবও নিষেধাজ্ঞায় সায় দিয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অন্য রাজ্যে মুক্তি না পেলেও বাংলায় স্বাগত ‘পদ্মাবতী’। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালতের প্রশ্ন, একটা ছবি সেন্সরের ছাড়পত্র পাওয়ার আগেই উচ্চ পদাধিকারীরা তা নিয়ে এত কথা বলছেন কেন? সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা হওয়া এক জিনিস, আর যাঁরা ক্ষমতার বৃত্তে অবস্থান করছেন তাঁদের এ নিয়ে মন্তব্য করা অন্য জিনিস।
[ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও মোবাইলে আধার যোগের সময়সীমা বাড়াতে রাজি কেন্দ্র ]
প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রর নেতৃত্বাধীন এক বেঞ্চ এ নিয়ে অসন্তোষ গোপন করেননি। বেঞ্চ জানায়, ছবিটি যখন এখনও সেন্সরের ছাড়পত্র পায়নি, তার মানে সেটি বিচারাধীন বিষয়ের মতোই। তার আগেই নেতারা বলছেন, ছবির মুক্তি পাওয়া উচিত নয়। কেউ বলছেন, সেন্সর যেন না ছাড়পত্র দেয়। এ তো বিচারের আগেই বিচার হয়ে যাচ্ছে। এতে সেন্সরের সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হতে পারে। তিরস্কার করে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, উচ্চ পদাধিকারীরা আইনকানুনের সাধারণ নিয়মগুলো অন্তত মেনে চলুন। পরোক্ষে কেন্দ্রকেই এ নিয়ে তুলোধোনা করে সুপ্রিম কোর্ট। নেতাদের এ ধরনের মন্তব্য ছবি সম্পর্কে বিরূপ মনোভাব তৈরি করবে বলেই বিশ্বাস সর্বোচ্চ আদালতের। ঘুরিয়ে কেন্দ্রের নীরবতা নিয়েও তাই তোলা হল প্রশ্ন।
[ বিশ্ব বাংলা বিতর্কে মুকুলের বিরুদ্ধে ফৌদজারি ও মানহানির মামলা অভিষেকের ]
সর্বশেষ খবর
-
ভেনেজুয়েলা বিপর্যয়ের মধ্যেই জোরাল ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি
-
থ্রেট কালচারে ভিত হেডমাস্টার! স্কুলে গুদাম তৃণমূল ‘দাদা’র, পালাবদলের পর উদ্ধার করল গ্রামবাসীরা
-
‘দীর্ঘ লড়াইয়ের স্বীকৃতি’, জলভরা-মনোহরা-নৌকার জিআই প্রাপ্তিতে কী প্রতিক্রিয়া নির্মাতাদের?
-
সাগরে ‘সালামি স্লাইসিং’ চিনের! স্থলে চৈনিক চালের মোকাবিলা করেছে ভারত, জলে কি পারবে আমেরিকা?
-
মালদহের প্রাথমিক স্কুলে ছাত্রীদের যৌন নিগ্রহ! গ্রেপ্তার তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাকলিন