৩ কার্তিক  ১৪২৬  সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সন্দীপ্তা ভঞ্জ: দেবীপক্ষ পড়ে গিয়েছে। চতুর্থীর দিন মুক্তি পাচ্ছে মোট চারটি বাংলা সিনেমা। তার মধ্যে দুটোই পরমব্রতর। একটি ‘পাসওয়ার্ড’, অন্যটি ‘সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ’। ছবি মুক্তির আগের দিন ‘সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল’-এর মুখোমুখি অভিনেতা। জানালেন, একই দিনে জোড়া ছবির মুক্তি নিয়ে বেশ টেনশনেই রয়েছেন তিনি।

এর আগে তোপসের ভূমিকায় দর্শকের প্রশংসা পেয়েছেন অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। ফেলুদার (সব্যসাচী) অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে ‘বোম্বাইয়ের বোম্বেটে’, ‘টিনটোরেটোর যিশু’ ও ‘কৈলাসে কেলেঙ্কারি’ ছবিতে নজর কেড়েছিলেন তিনি। এমনকী ওয়েব সিরিজে ‘শেয়াল দেবতা রহস্য’ ও ‘ঘুরঘুটিয়ার ঘটনা’তেও ফেলুদা হিসেবে নজর কেড়েছিলেন পরমব্রত। কিন্তু ব্যোমকেশের ভূমিকায় এই প্রথম। অতীতে রজত কাপুর, উত্তমকুমারের মতো অভিনেতারা এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ইদানিং আবির চট্টোপাধ্যায় থেকে যিশু সেনগুপ্তের মতো অভিনেতারা এই চরিত্রে দেখা গিয়েছে। তাই এই জুতোয় পা গলাতে গিয়ে পরমব্রতকে একটু চাপে থাকতে হয়েছে, সেকথা অস্বীকার করেননি অভিনেতা। বলেছেন, “এরকম একটা আইকনিক চরিত্র যেটা অনেকে করেছেন এর আগে, সেই জুতোয় পা গলানো প্রথমবার, একটা প্রত্যাশার চাপ তো থাকেই। জানাই থাকে তুলনা হবে কোথাও না কোথাও। …বাকিটা তো দর্শক বলবে।”

‘সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ’ ছবির পাশাপাশি চতুর্থীর দিন মুক্তি পাচ্ছে পরমব্রত অভিনীত ছবি ‘পাসওয়ার্ড’ও। তবে এটার মধ্যে থ্রিল আছে বলে মনে করেন অভিনেতা। কারণ দু’টো ছবিই যেহেতু দুর্গাপুজোর সময় মুক্তি পাচ্ছে, তাই দর্শক কোন ছবি কতটা দেখবে, এসব নিয়ে একটা উত্তেজনাও থাকে। এখন সেই উত্তেজনা মিশ্রিত অনুভূতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।

প্রসঙ্গত, আগামিকাল মুক্তি পাবে ‘পাসওয়ার্ড’ ও ‘সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ’। প্রথমটি সাইবার ক্রাইম নিয়ে তৈরি হয়েছে ছবিটি। ছবির মূল বিষয়বস্তু ডার্ক ওয়েব। ভবিষ্যতে এই ডার্ক ওয়েব ছড়িয়ে পড়বে দুনিয়াজুড়ে। সেই ফাঁদে পড়তে নেটিজেনদের আর বেশি দেরি নেই। এই নিয়েই ছবিটি বানিয়েছেন কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। মানুষ কীভাবে এই সাইবার ক্রাইমের ফাঁদে পড়ে আর পুলিশই বা কীভাবে এর তদন্ত চালায় তা উঠে আসবে ছবিতে।  

‘সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ’ ছবিটি প্রেক্ষাপট স্বাধীনত্তোর পর্ব। যেই গল্পে মিশে রয়েছে দেশদ্রোহিতার গন্ধও। সন্তোষ সমাদ্দার নামে এক ব্যক্তি। যার বাড়িতে হেনা নামের এক মহিলা থাকেন। বাড়ির লোকের চেয়েও উপরি সুবিধা ভোগ করেন হেনা। এই মহিলা হঠাৎই একদিন ছাদ থেকে পড়ে মারা যান। এই নিয়ে রহস্যোদঘাটনে নেমে পড়েন ব্যোমকেশ। কাহিনি এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে পরতে পরতে জমতে থাকে রহস্য। তারপর? বাকিটা জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে আগামিকাল পর্যন্ত।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং