২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  দুই ক্ষুধাতুর শিশুর সিরিয়াল কিলার হয়ে ওঠার এক বাস্তব কাহিনি নিয়ে ছবি তৈরি করলেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায়। নাম ‘পোশাম পা’। সম্প্রতি মুক্তি পেল সেই ছবির ট্রেলার। এই প্রথম হিন্দি ছবির পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন সুমন। এর আগেও অবশ্য তিনি একটি হিন্দি ছবি করেছিলেন ‘নজরবন্ধ’ নামে। তবে সেই ছবি এখনও মুক্তি পায়নি। সেই দিক থেকে ‘পোশাম পা’ই হবে তাঁর প্রথম হিন্দি ছবি।

[আরও পড়ুন: পরপর দুটো বলিউড ছবি, জেনে নিন কোন চরিত্রে দেখা যাবে যিশু সেনগুপ্তকে]

‘পোশাম পা’ মুক্তি পাচ্ছে নেটফ্লিক্সের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। উত্তর ভারতের বহুল প্রচলিত এক মজার ছড়া ‘পোশম পা’। ঠিক অনেকটা আমাদের শৈশবের ছড়া ‘ইকির মিকির’-এর মতোই। তবে ‘পোশম পা’ মজার এই নামের অন্তরালে কোথাও লুকিয়ে রয়েছে এক অন্ধকার চোরা স্রোত। যার নিগুঢ় অর্থ আপনাকে ইঙ্গিত দেবে এক অন্য জগতের। যেই জগৎ অন্ধকার। তবে আপাত-নিরীহ এই নামের অন্তরালে এক অন্য কাহিনির ইঙ্গিত দিচ্ছেন পরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায়। সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ঘরানার ছবি ‘পোশাম পা’। ছবির মুখ্য চরিত্রে তিন নারী। মাহি গিল, রাগিনী খান্না এবং সায়নী গুপ্ত।

স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে প্রথম দুই সিরিয়াল কিলারকে নিয়ে তৈরি হয়েছে সুমনের এই ছবি। সীমা মোহন গাভিট এবং রেণুকা কিরণ শিণ্ডে- নাম দু’টি নিশ্চয়ই মনে আছে? নয়ের দশকের কুখ্যাত এই দুই মহিলা সিরিয়াল কিলারের নাম অবশ্য ভোলার মতোও নয়। দুই বোন সীমা এবং রেণুকা। ১৩টি শিশুকে অপহরণ এবং ৬ জনকে খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন তাঁরা। শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয় কুখ্যাত খুনি দুই বোনকে। তথ্য বলছে, এটিই স্বাধীন ভারতের প্রথম দৃষ্টান্ত যেখানে দুই মহিলাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের হাতে চলে যায় দুই বোনের মামলা। ২০১৪ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় খারিজ করে দেন সীমা এবং রেণুকার মৃত্যুদণ্ড রদের আবেদন। এই দুই বোন এবং তাঁদের ভয়ংকর কাণ্ডকারখানা নিয়েই সুমন মুখোপাধ্যায় তৈরি করেছেন ‘পোশম পা’।

[আরও পড়ুন: অ্যাকশন-ভিএফএক্সে ঠাসা ‘সাহু’র ট্রেলারে নজর কাড়লেন প্রভাস ও শ্রদ্ধা]

রাগিনী এবং সায়নীকে দেখা যাবে সীমা এবং রেণুকার ভূমিকায়। তাঁদের লুকেও রয়েছে অস্বাভাবিকতা। দেখে চেনার উপায় নেই তাঁদের। মাহি গিল রয়েছেন তাঁদের মায়ের ভূমিকায়। শুধু যে খুন এবং তাঁদের অপহরণবৃত্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে সুমনের এই ছবি, তা নয়। কোন পরিস্থিতিতে একজন মহিলা এরকম ভয়ংকর খুনি হতে পারে, নেপথ্যে ধরা পড়বে সেই ঝলকও। চিত্রনাট্য লিখেছেন নিমিশা মিশ্র। তা হঠাৎ এরকম একটি বিষয় বেছে নেওয়ার কারণ? পরিচালক সুমন জানান, চিত্রনাট্যে মজেই তিনি পরিচালনার জন্য এগিয়েছেন।তাছাড়া, সেন্সরের কাঁচির কোপেও পড়বে না বলেই হয়তো এই বিষয়টি মনে ধরেছে তাঁর।  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং