১৯ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২ জুন ২০২০ 

Advertisement

‘আমরাও বিদ্যুৎহীন, ধৈর্য্য ধরুন’, বিদ্যুৎকর্মীদের পাশে থাকার আবেদন প্রিয়াঙ্কা-সৃজিতের

Published by: Bishakha Pal |    Posted: May 23, 2020 10:55 am|    Updated: May 23, 2020 11:13 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলায় রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছে সুপার সাইক্লোন আমফান। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা তো বটেই, কলকাতাও যেন রাতারাতি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। যত্রতত্র ছড়িয়ে রয়েছে গাছ, বিদ্যুতের তার। অর্ধেকেরও বেশি শহর এখনও অন্ধকারে ডুবে। ধৈর্য হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিদ্যুৎ কোম্পানির কর্মীদের উপর চলছে হামলা। কিন্তু তাঁরাও তো অসহায়। নিরুপায়। তাঁরাও তো তাঁদের মতো করে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এক বিদ্যুৎকর্মীর সেই কথাই লিখেছিলেন ফেসবুকে। সেটি শেয়ার করে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার ও পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় জানালেন সমস্যায় রয়েছেন তাঁরাও। কিন্তু এর থেকে রেহাই পেতে গেলে ধৈর্য ধরে লড়তে হবে।

পলাশ হক নামে ওই বিদ্যুৎকর্মী লিখেছেন, আমফানের পর থেকে দিনরাত এক করে শহরকে সচল করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের মোবাইল ভ্যান, রেস্টোরেশন টিম কাজ করে চলেছে অবিরাম। কিন্তু শহর যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা স্বাভাবিক করতে কিছুটা সময় দরকার। তাঁরাও তো মানুষ। তাঁদের বাড়িতেও হাজারও সমস্যা। আমফান তাঁদের বাড়ি বাদ দিয়ে তো আর ধ্বংসলীলা চালায়নি। কিন্তু সেদিকে না তাকিয়ে শহরকে সচল করতে উঠেপড়ে লেগেছেন তাঁরা। শহরের সর্বত্র পড়ে রয়েছে ইলেট্রিকের তার। জমা জলে বিদ্যুৎপ্রবাহ ঘটলেই বিপদ নিশ্চিত। এখন একটা ভুল পদক্ষেপ মানেই মুড়িমুড়কির মতো মানুষ মরবে। তাই এই সময় ধৈর্য না হারিয়ে সবাইকে তাঁদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

[ আরও পড়ুন: ইনস্টাগ্রামে আমফান বিধ্বস্ত বাংলার ছবি পোস্ট করলেন করিনা, দিলেন পাশে থাকার বার্তা ]

তাঁর এই ছবি শেয়ার করে প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন, তাঁর এলাকাতেও গত ৪৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই। কিন্তু এ সময় একটু ধৈর্যশীল হতেই হবে। “#WBSEDCL-এর কর্মীরা যেভাবে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন পরিষেবা স্বাভাবিক করার জন্য এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তার জন্য কুর্নিশ। যিনি এই স্টেটাস-টি লিখেছেন তিনি একজন বিদ্যুৎকর্মী। ওনাদের থেকে ভাল করে গ্রাউন্ড লেভেল এর পরিস্থিতি কেউ বুঝিয়ে বলতে পারবে না। আমাদেরও উচিত একটু ধৈর্যশীল হয়ে তাদের পাশে থাকা।” লিখেছেন প্রিয়াঙ্কা।

[ আরও পড়ুন: আমফান বিধ্বস্ত দুই এলাকায় সাংসদ নুসরত ও মিমি, বাসিন্দাদের ‘আপনজন’ হয়ে শুনলেন সমস্যার কথা ]

সৃজিত মুখেপাধ্যায় লিখেছেন, তাঁর বাড়তেও দু’দিন জল আর বিদ্যুৎ নেই। আরও দু’দিন হয়তো থাকবে না। সংখ্যাটা ৭ বা ১০ দিনও হতে পারে। কিন্তু যেখানে ৮০ হাজার বাড়ি উড়ে গিয়েছে আমফানে, সেখানে তিনি সুরক্ষিত। এটাই কি যথেষ্ট নয়? এই পরিস্থিতিতে সবাইকে পাশে থাকা বার্তা দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement