২৯ মে বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে পৃথা চক্রবর্তী পরিচালিত বাংলা ছবি ‘ফেরা’। দর্শকের ভালোবাসায় বক্স অফিসে সাফল্যের নজিরে গড়ে চলেছে। সেই প্রেক্ষিতে চলতি সপ্তাহ থেকে বাড়ানো হয়েছে হলের সংখ্যাও। এই ছবির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। ছবি মুক্তির পর হল ভিজিটে আসতে পারেননি। সেই সময় তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত সিরিজ ‘তারকাটা’র প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। কাজের ব্যস্ততা মিটতেই এবার পারিবারিক সময় কাটাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা। মা ও শাশুড়ি মাকে সঙ্গে নিয়ে ‘ফেরা’ দেখতে এলেন রাহুল ঘরনি প্রিয়াঙ্কা সরকার।
অভিনেতা স্বামীর মৃত্যুর পর একজন পেশাদার অভিনেত্রী হিসেবে লাগাতার নিজের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। আর সেই কতর্ব্যবোধের অংশই ছিল ‘ফেরা’র হল ভিজিট। সেখানেই দুই মাকে সঙ্গে নিয়ে নিজের ছবি দেখলেন প্রিয়াঙ্কা। সঙ্গে ছিল তাঁর একমাত্র ছেলে সহজও। পেশাদার নায়িকা হিসেবে দায়িত্বপালনের পর এবার পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোই প্রিয়াঙ্কার মূল লক্ষ্য।
আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে মুভি টাইম কাটানোর পাশাপাশি ছবির প্রচারেও পৃথার পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর কাজকে সমর্থনও করা হল। ছবি মুক্তির তিন সপ্তাহ পর প্রথমবার প্রিয়ঙ্কাকে দেখে জড়িয়ে ধরে আবেগে ভেসেছেন পৃথা।
View this post on Instagram
রাহুলকে হারানোর পর একের পর এক ব্যস্ততা। ‘তারকাটা’ সিরিজের প্রযোজক বিক্রম তো সংবাদ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন, রাহুলের মৃত্যুর খবর পেয়েও নিজের শট শেষ করেই ফ্লোর ছেড়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। তাঁর এই পেশাদারিত্ব প্রশংসিত সিনেমহলে। সিরিজ মুক্তি পেতেই নিজের সিনেমার প্রচারে সামিল প্রিয়াঙ্কা। কাজের ব্যস্ততার জন্য প্রথমে যোগ দিতে না পারলেও এখন এক এক কাজে দু’কাজ সেরে ফেললেন তা বললে অত্যুক্তি হবে না।
View this post on Instagram
পরিবারের সঙ্গে মুভি টাইমও কাটানোর পাশাপাশি ছবির প্রচারেও পৃথার পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর কাজকে সমর্থনও করা হল। ছবি মুক্তির তিন সপ্তাহ পর প্রথমবার প্রিয়ঙ্কাকে দেখে জড়িয়ে ধরে আবেগে ভেসেছেন পৃথা। সেই সঙ্গে দর্শকের ভালোবাসায় আপ্লুত পরিচালক।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
২০২০ সালে ধর্মীয় সভার নামে হাজির আইএসআই কর্তারা! সমাবেশের আড়ালেই পাক চর নিয়োগ নেপালে?
-
‘এবার তলোয়ার চালাব’, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটারদের খোঁচা পন্থের, ‘ভাগ করে খাওয়ার’ পরামর্শ সরফরাজের
-
স্টান্টের সময় মাথায় আঘাতে স্মৃতি উধাও জ্যাসমিনের! কনকাশন কী, কেন এমন হয়?
-
ইমরান ম্যাজিকে ফিকে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’, তবুও সানিকেই সমর্থন, ভূয়সী প্রশংসা হেমার
-
ফাঁসি না প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন! ‘মানবিক’ মৃত্যুদণ্ডের আর্জিতে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?