Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Rahul Banerjee Death

শুটিং ফ্লোরে মদ-সিগারেট নিষিদ্ধ হোক! তিন টলিউড সংগঠনকে চিঠি প্রযোজক রানার

নতুন এসওপি তৈরি করতে রবিবার ১২ এপ্রিল আবারও বৈঠক ডাকা হয়েছে ফোরামের তরফে। এমন আবহে শুটিং ফ্লোরে মদ্যপান ও ধুম্রপান নিষিদ্ধ করার দাবি তুলে ইম্পা, ফোরাম, ফেডারেশনকে চিঠি রানা সরকারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১৭:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১৭:৩০

options
link
শুটিং ফ্লোরে মদ-সিগারেট নিষিদ্ধ হোক! তিন টলিউড সংগঠনকে চিঠি প্রযোজক রানার zoom
শুটিং ফ্লোরে মদ-সিগারেট নিষিদ্ধ করার দাবি প্রযোজক রানা সরকারের। গ্রাফিক্স ছবি

আউটডোরে শুটিং করাকালীন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rahul Banerjee Death) মর্মান্তিক পরিণতি যে গোটা সিনেইন্ডাস্ট্রিকে নাড়িয়ে দিয়েছে, তা বললে অত্যুক্তি হয় না! এমতাবস্থায় যেমন টলিউডের শুটিং নিয়মবিধি কাঠগড়ায়, তেমনই প্রশ্নের মুখে, শিল্পী-কলাকুশলীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। সেই প্রেক্ষিতেই গত কয়েক দিন ধরে রাহুলের মৃত্যুর বিচারের পাশাপাশি শিল্পী, টেকনিশিয়ানদের সুরক্ষা ব্যবস্থার দাবিতেও একজোট হয়ে সোচ্চার হয়েছে টলিপাড়া। গত মঙ্গলবারের বৈঠকেই আর্টিস্ট ফোরাম ও ফেডারেশনের তরফে যৌথভাবে জানানো হয়েছে যে আগামীদিনে আইনত নিয়ম বলবৎ না হওয়া পর্যন্ত কোনও কলাকুশলী বা শিল্পী ঝুঁকি নিয়ে শুটিং করবেন না। নতুন এসওপি তৈরি করতে রবিবার ১২ এপ্রিল আবারও বৈঠক ডাকা হয়েছে ফোরামের তরফে। এমন আবহে শুটিং ফ্লোরে মদ্যপান ও ধুম্রপান নিষিদ্ধ করার দাবি তুলে টলিউডের তিন সংগঠনকে চিঠি রানা সরকারের।

“শুটিং চলাকালীন মদ এবং অন্যান্য নেশাদ্রব্যের ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। গোটা শুটিং শিডিউল জুড়েই এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। যে কোনও স্টুডিও ফ্লোর, সেট বা শুট লোকেশনে ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ হোক। এই নিষেধাজ্ঞা যেন সমস্ত ইনডোর ও আউটডোর শুটিংয়ে প্রযোজ্য থাকে। টিমের কোনও সদস্য এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে নূন্যতম তিন মাসের জন্য তাকে কাজ থেকে বিরত রাখতে হবে।…” 

সূত্রের খবর, “শুটে নেশা সংক্রান্ত কড়া নিয়ম চালু করার দাবিতে ইতিমধ্যেই ইম্পা, আর্টিস্ট ফোরাম এবং ফেডারেশনকে ই-মেল মারফৎ লিখিত প্রস্তাব দিয়েছেন রানা সরকার। প্রযোজকের প্রস্তাবে উল্লেখ, “শুটিং চলাকালীন মদ এবং অন্যান্য নেশাদ্রব্যের ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। গোটা শুটিং শিডিউল জুড়েই এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। আউটডোর শুটিংয়ের ক্ষেত্রে, এই নিষেধাজ্ঞা রওনা হওয়ার সময় থেকে মূলস্থানে প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত কার্যকর করা উচিত। যে কোনও স্টুডিও ফ্লোর, সেট বা শুট লোকেশনে ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ হোক। এই নিষেধাজ্ঞা যেন সমস্ত ইনডোর ও আউটডোর শুটিংয়ে প্রযোজ্য থাকে। টিমের কোনও সদস্য এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে নূন্যতম তিন মাসের জন্য তাকে কাজ থেকে বিরত রাখতে হবে। ঘটনা সাপেক্ষে সেটার সময়সীমা একবছর পর্যন্তও বাড়তে পারে।” এবং সেই সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা জরিমানার দাবিও তুলেছেন রানা সরকার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Rahul Banerjee’s Death: Calls grow for ban on cigar and alcohol on shooting floor
রবিবার ১২ এপ্রিল আবারও বৈঠক ডাকা হয়েছে ফোরামের তরফে।

যদিও প্রযোজকের এহেন প্রস্তাবনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে টলিপাড়ায়। কারও দাবি, ‘তারকা, কলাকুশলীদের অনেকেই ধূমপানে অভ্যস্ত, সেক্ষেত্রে শট দেওয়ার মাঝে বারবার বিরতি নিলে অসুবিধা দেখা দিতে পারে।’ আরেকাংশ সাফ জানাল, ‘দায়িত্বশীল কোনও ব্যক্তিই শুটিং ফ্লোরে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় আসেন না।’

এছাড়াও প্রযোজকের প্রস্তাবনায় সংযোজন, “শুটিংয়ে যদি কোনও সদস্যকে মদ্যপ বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়, তবে সেই দায় প্রযোজনা সংস্থাকেও নিতে হবে। অর্থাৎ প্রযোজক, পরিচালক, কার্যনির্বাহী প্রযোজক এবং প্রোডাকশন কন্ট্রোলারও সেক্ষেত্রে উল্লিখিত আইনের অধীনে শাস্তি পেতে পারেন। যদি গল্পে বা চিত্রনাট্যের কোনও দৃশ্যে অ্যালকোহলের ব্যবহার প্রয়োজন হয়, তবে সেটার জন্য নন-অ্যালকোহলিক বিকল্প কোনও জিনিস ব্যবহার করতে হবে।” নতুন এসওপি বলবতের জন্য রবিবার সকাল এগোরাটায় টেকনিশিয়ান স্টুডিওয় বৈঠক রয়েছে। এবার দেখার, রানা সরকারের প্রস্তাবে আর্স্টিস্ট ফোরাম, ফেডারেশন কিংবা ইম্পার তরফে সায় দেওয়া হয় কিনা। যদিও প্রযোজকের এহেন প্রস্তাবনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে টলিপাড়ায়। কারও দাবি, ‘তারকা, কলাকুশলীদের অনেকেই ধূমপানে অভ্যস্ত, সেক্ষেত্রে শট দেওয়ার মাঝে বারবার বিরতি নিলে অসুবিধা দেখা দিতে পারে।’ আরেকাংশ সাফ জানাল, ‘দায়িত্বশীল কোনও ব্যক্তিই শুটিং ফ্লোরে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় আসেন না।’

দিন কয়েক আগে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব কার্যকর করার দাবি তুলেছিলেন পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্রও। দেবী চৌধুরাণী’ পরিচালকের মতে, “সমুদ্র, নদী-হ্রদ কিংবা পুকুরের খুব কাছাকাছি বা জলের সংস্পর্শে যদি কোনও শট দেওয়া হয় তাহলে প্রত্যেক অভিনেতার সঙ্গে একজন করে প্রশিক্ষিত পেশাদার উদ্ধারকারী থাকা আবশ্যক। শট নেওয়ার সময়ে ওই উদ্ধারকারীকে অবশ্যই অভিনেতার ৫ থেকে ১০ ফুটের মধ্যে থাকতে হবে। যদি তিনি ক্যামেরার ফ্রেমে চলেও আসেন, তাহলে পোস্ট-প্রোডাকশনের সময়ে ভিএফএক্স-এর মাধ্যমে ফ্রেম থেকে ওই ব্যক্তিকে সরানোর জন্য সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে অবশ্যই সেরকম বাজেট বরাদ্দ রাখতে হবে। অভিনেতাদের যদি গভীর জলে নামতে হয় কিংবা নৌকায় চড়ে শট দিতে হয়, তাহলে লোকেশনে অন্তত দুটি স্পিডবোট রাখতে হবে, যাতে প্রয়োজনে ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই সেগুলো ব্যবহার করা যায় প্রয়োজনে। আগুনের শট থাকলেও সেটে নিরাপত্তা অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজনে পেশাদার স্টান্টম্যান থাকবে। শট নেওয়ার সময়ে ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পরিমাণে অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম এবং জল প্রস্তুত রাখতে হবে। অভিনেতাদের যদি ১০ ফুটের বেশি উচ্চতাসম্পন্ন কোনও মঞ্চ বা প্ল্যাটফর্মে অভিনয় করতে হয়, তবে সেই শটটি অবশ্যই প্রশিক্ষিত পেশাদারের তত্ত্বাবধানে এবং ‘বডি হারনেস’–এর সাহায্যে সম্পন্ন করতে হবে। নিচে যেন উপযুক্ত ‘কুশনিং প্যাড’ থাকে। এধরনের ঝুঁকিপূর্ণ শুটিংয়ের সময়ে ‘আর্টিস্ট ফোরাম’ এবং ‘টেকনিশিয়ান গিল্ড’-এর প্রতিনিধিদের সেটে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.