Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Asha Bhosle Demise

‘যেখানেই থাকবেন সৃষ্টি করবেন’, আশা ভোঁসলের প্রয়াণে আবেগঘন ঋতুপর্ণা, স্মৃতির সাগরে ভাসলেন দেবশ্রী

'আমার মনে হয়, এরকম নক্ষত্ররা মহাকাশ থেকে খসে পড়ে', বললেন ঋতুপর্ণা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ১৩:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ১৩:০৬

options
link
‘যেখানেই থাকবেন সৃষ্টি করবেন’, আশা ভোঁসলের প্রয়াণে আবেগঘন ঋতুপর্ণা, স্মৃতির সাগরে ভাসলেন দেবশ্রী zoom
আশা ভোঁসলের প্রয়াণে আবেগঘন ঋতুপর্ণা, স্মৃতির সাগরে ভাসলেন দেবশ্রী

সুরের জাদুতে গোটা বিশ্বকে মাতিয়ে রেখেছেন। সেই আশা ভোঁসলের প্রয়াণে (Asha Bhosle Demise) শোকস্তব্ধ দুনিয়া। সুরের সম্রাজ্ঞীর মৃত্যুতে আবেগঘন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। বললেন, “উনি যেখানেই থাকবেন সেখানেই সঙ্গীত সৃষ্টি করবেন।” স্মৃতির সাগরে ডুব দিয়ে দেবশ্রী বললেন, “আমার কেরিয়ারে আশাজির অবদান যে কতখানি বলে বোঝাতে পারব না। আমার লিপে যত হিট গান, সব ওঁর।”

আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, “আশাজি আমাদের জীবনের সুর-সঙ্গীতের দেবী। আমার মনে হয়, এরকম নক্ষত্ররা মহাকাশ থেকে খসে পড়ে। জানতাম শরীর ভালো নেই, কিন্তু চলে যাওয়া…। আসলে এরা যান না, এরা থেকে যান এদের সৃষ্টির মধ্যে। এরা সবাইকে সমৃদ্ধ করে যান। আমি কৃতজ্ঞ আমি ওনার গানে লিপ দিতে পেরেছি। এটা আমার জীবনের বড় পাওয়া। উনি আমাদের যা দিয়ে গিয়েছেন…। আমি মনে করি উনি যেখানেই থাকবেন সঙ্গীত সৃষ্টি করবেন। ওনাকে আমার প্রণাম। অপেক্ষায় থাকব।

Advertisement

আশা ভোঁসলে প্রয়াত জেনে নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না দেবশ্রী রায়। ধরা গলায় বললেন, “আমার কেরিয়ারে আশাজির অবদান এতখানি বলে বোঝাতে পারব না। আমার দেবশ্রী রায় (Debashree Roy) হয়ে ওঠার নেপথ্যে ওঁর অশেষ অবদান। মানুষ আশাজির গানগুলোকে ভালোবেসেছে। আমার অত্যন্ত পছন্দের শিল্পী শুধু নন, ব্যক্তিগতভাবেও অত্যন্ত কাছের মানুষ। ছোটবেলায় ভাইভোনেরা গানের লড়াই খেলতাম আশাজি-লতাজির গান দিয়ে। পুজোর গানের সময়, আশাজির গানের জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকতাম। ব্যক্তিগত সম্পর্ক এই জন্য গভীর ছিল, কারণ আমরা দুই বোন রুমকি-ঝুমকি হিসেবে নাচ করতাম। আর ডি বর্মন-আশা ভোঁসলে নাইট মানেই ছিল রুমকি-ঝুমকির নাচ। আমরা কত জায়গা শো করেছি।” তিনি আরও বলেন, “সেবার নর্থবেঙ্গলে হঠাৎ আশাজি বললেন, কিনে দে রেশমি চুড়ি গাইব তুমি কি একটু নাচবে? আমি তো শুনে বর্তে গিয়েছি। আশাজি গাইলেন, আমি লাইভ নাচলাম। জি-এর অনুষ্ঠানে হঠাৎ বললেন ‘পিয়া তু’ গাইবেন। সবাই বলল, তোমাদের তো জুটি দারুণ, তুমি নাচো। যিশু হাত ধরে আমাকে স্টেজে তুলল। আশাজি তক্ষুনি ‘পিয়া তু’ ধরলেন, আমি নাচতে শুরু করলাম। সকলে মুগ্ধ। সেদিন গাড়ি থেকে নামার সময় আমি পড়েও গিয়েছিলাম। সব মনে পড়ছে আজ…। আশাজির চলে যাওয়া অপূরণীয় ক্ষতি। চুমকি থেকে দেবশ্রী রায় হয়ে ওঠার পিছনে আশাজির অবদান বলে শেষ করতে পারব না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.