Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Asha Bhosle-Brett Lee

আশার সঙ্গে ডুয়েট গেয়েছিলেন ব্রেট লি! রয়ে গেল সেই রূপকথা

১২ এপ্রিল থেকে ‘আশাহীন’ সঙ্গীতের দুনিয়া! কিছু কণ্ঠ কখনও থামে না, কিছু গল্প কখনও ফুরোয় না। তারা থেকে যায় সময়ের বুক জুড়ে, প্রজন্মের পর প্রজন্মে, নতুন করে শোনার, নতুন করে অনুভব করার অপেক্ষায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ২০:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ২০:৪৪

options
link
আশার সঙ্গে ডুয়েট গেয়েছিলেন ব্রেট লি! রয়ে গেল সেই রূপকথা zoom
আশার সঙ্গে ডুয়েট গেয়েছিলেন ব্রেট লি। ফাইল ছবি।

তিনি ছিলেন গতির রাজা। ব্রেট লি। তাঁর বোলিংয়ের তেজে কেঁপে উঠত বিশ্বের সেরা ব্যাটাররা। তবে তাঁর ভিতর সুরও ছিল। সুর সম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলের (Asha Bhosle) সঙ্গে ‘ডুয়েট’ গেয়েছেন। ১২ এপ্রিল থেকে ‘আশাহীন’ সঙ্গীতের দুনিয়া! রবিবার চিরঘুমে আশা ভোঁসলে। কিন্তু তাঁর কণ্ঠের মহিমা রবি-র মতোই চিরদিন প্রতিটি সঙ্গীতপ্রেমীর হৃদয়ে জীবন্ত হয়ে থাকবে। এমন একটা সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে অজি পেসারের সঙ্গে আশা ভোঁসলের ডুয়েট অ্যালবাম আজও সঙ্গীত অনুরাগীদের মনে গেঁথে।

২০০৬ সাল। ভারতে চলছিল আইসিসি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। তখন আশা ভোঁসলের একটা প্রজেক্টের একটা কাজ চলছিল। যার নাম ছিল ‘আশা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’। তিনি চেয়েছিলেন, তাঁর অ্যালবামে বিভিন্ন ক্ষেত্রের তারকাদের নিয়ে আসতে। তখনই প্রস্তাব পেয়েছিলেন ব্রেট লি। অজি পেসার নিজেও একজন সঙ্গীত অনুরাগী। ‘সিক্স অ্যান্ড আউট’ নামে তাঁর নিজস্ব ব্যান্ডও ছিল। কিন্তু সুরের সাধিকা আশার সামনে এক ফ্রেমে দাঁড়ানো তাঁর কাছে ছিল স্বপ্নের মতো।

Advertisement

অবশেষে সেই দিন এল। অজি পেসার গিটার হাতে দাঁড়িয়ে। সুর তুলছেন এক কিংবদন্তির পাশে। তাঁদের গাওয়া গাটি ছিল ‘ইউ আট দ্য ওয়ান ফর মি’। যা শুধু একটি গান নয়। যেখানে ভাষা, দেশ, পেশা – সব বাধা অতিক্রম করে মিলেছিল দুই সত্তা। নিজের আত্মজীবনী ‘মাই লাইফ’-এ ব্রেট লি লিখেছিলেন, “রেকর্ডিংয়ের সময় অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ উপভোগ্য। আমি দলের কাউকে জানাইনি কী করতে যাচ্ছি। পরে সিডনির অপেরা হাউসে তাঁর সঙ্গে আবার দেখা হলে তিনি নিজের সই করা অ্যালবাম উপহার দেন। যা আজও আমার কাছে অমূল্য স্মৃতি।”

পরে এক সাক্ষাৎকারে অজি পেসার জানিয়েছিলেন, “খুবই রসিক মানুষ তিনি। এমন এক কিংবদন্তির সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়া সত্যিই বিরল। তিনি ভারতীয় সঙ্গীতের এরেথা ফ্র্যাঙ্কলিন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময়ে মাত্র ৩০ মিনিটে গানটি লিখেছিলাম। তখন বিমানে সফর করছিলাম।” পরবর্তীতে আশা ভোঁসলে বলেছিলেন, “লি-র মধ্যে অদ্ভুত সারল্য ছিল। রেকর্ডিংয়ের সময় ও যতটা ক্রিকেটার ছিল, তার চেয়েও বেশি ছিলেন একজন মনোযোগী ছাত্র। সুক্ষ্ম কাজগুলো রপ্ত করতে বারবার প্র্যাকটিস করেছিল।” এই যুগলবন্দি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শিল্প আর প্রতিভার কোনও ভৌগোলিক সীমানা নেই। মানুষ যখন নিজের পরিচিত জগতের বাইরে পা রাখে, তখনই জন্ম নেয় এমন কিছু মুহূর্ত, যা হয়ে ওঠে অনন্তের অংশ। কিছু কণ্ঠ কখনও থামে না, কিছু গল্প কখনও ফুরোয় না। তারা থেকে যায় সময়ের বুক জুড়ে, প্রজন্মের পর প্রজন্মে, নতুন করে শোনার, নতুন করে অনুভব করার অপেক্ষায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.