সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার টলিউড তারকাদের ঘরে ঘরে যখন লক্ষ্মীপুজো, তখন এমন আবহে মাতৃস্মৃতিতে বিভোর ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। চব্বিশ সালের নভেম্বর মাসে মাকে চিরতরে হারিয়েছেন অভিনেত্রী। গতবছর লক্ষ্মীপুজোতেও মা নন্দিতা সেনগুপ্ত ছিলেন। তবে এবছর মাতৃবিয়োগের শূন্যতা ঘিরে ধরেছে ঋতুপর্ণাকে। আসলে শত অসুস্থতা, ক্লান্তি সত্ত্বেও ফি বছর অভিনেত্রীর মা নিষ্ঠাভরে পুজোর সমস্ত আয়োজন করতেন। কিন্তু এবছর তিনি নেই। লক্ষ্মীপুজোর দিন সেসব স্মৃতি আগলে নস্ট্যালজিয়ায় ভাসলেন ঋতুপর্ণা।
সোশাল মিডিয়ায় মায়ের লক্ষ্মীপুজো করার বেশ কয়েকটি মুহূর্ত তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী। সেখানেই দেখা গেল, বার্ধক্যের ভারে নুইয়ে পড়লেও নিজেহাতে মা লক্ষ্মীর পুজো করছেন নন্দিতাদেবী। স্মৃতির সরণি বেয়ে ঋতুপর্ণা লিখেছেন, “আমার মা, আমার মা লক্ষ্মী। প্রতি বছর শত অসুস্থতা, ক্লান্তি থাকলেও মা পুজোর ঘরে ঢুকে সমস্ত নিয়ম পালন করে নিষ্ঠাভরে পুজো করতেন। ঠিক যেমনটা আমার ঠাকুমা করতেন। বংশ পরম্পরায় সেই রীতি-রেওয়াজের দায়ভার বর্তেছিল আমার মায়ের উপর। মা-ও নিবেদিতপ্রাণে যত্ন নিয়ে সবটা করতেন। তোমাকে খুব মিস করছি মা।”

সেই পোস্টেই ঋতুপর্ণার সংযোজন, “তুমি সেরা সিন্নি বানাতে মা। আজ তোমার হাতের সেই সিন্নি মাখা খুব মিস করছি। যা আমার কাছে ছিল পৃথিবীর সবথেকে সুস্বাদু। আমরা তোমার মতো হতে পারিনি। তবে তোমার স্মৃতি আঁকড়েই আমরা আমাদের মতো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাই। তুমিই তো আংমাদের পরিবারের মা লক্ষ্মী ছিলে মা। খুব ভালোবাসি তোমাকে।” লক্ষ্মীপুজোর আবহে অভিনেত্রীর এহেন মনকেমন করা পোস্টে চোখ ভিজেছে অনুরাগীদেরও। কমেন্ট বক্সে অনেকেই সান্ত্বনা দিয়ে বলেছেন, ‘চিন্তা করবেন না, আপনার মা সবসময়ে আপনার পাশে রয়েছেন। আপনার সব ভালো কাজ তিনি দেখছেন।’
সর্বশেষ খবর
-
সরকারি জমি জবরদখল! নোটিস পেতেই হাতুড়ি ঠুকে দোকান-বাড়ি ভেঙে ফেললেন দখলদাররা
-
বৃহত্তম বিশ্বকাপ, বাণিজ্যের মিশেলে নব-রূপায়ণ
-
সাগর নেই, ঝিনুক নেই, ভিয়েতনামে গুহার গায়ে সারি সারি মুক্তো! তাজ্জব বিজ্ঞানীরা
-
‘টাকা যাদের পদ তাদের’, পঞ্চায়েত ভোটে ‘ব্যবসা হয়েছে’ বলে অভিষেককে তোপ প্রসূনের
-
এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গের অধিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্রের দাবি নদিয়ার শিবনিবাসে