Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলা

কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় ফের আইনি নোটিস সোনালি-সইফ-টাবুকে

নোটিস পাঠাল রাজস্থান হাই কোর্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০১৯, ১৫:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০১৯, ১৫:২৬

options
link
কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় ফের আইনি নোটিস সোনালি-সইফ-টাবুকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। ১৯৯৮ সালের এই মামলায় ফের তাদের তলব করেছে আদালত। ২০ মে, সোমবার, রাজস্থান হাইকোর্টের যোধপুর বেঞ্চের তরফে ফের আইনি নোটিস পাঠানো হয় সইফ, সোনালি, নীলম, টাবু এবং দুষ্মন্তকে। রাজস্থান হাইকোর্টের বিচারক মনোজ গর্গের বিচারাধীন একটি সিঙ্গল বেঞ্চ নতুন করে আইনি নোটিস পাঠায়। মামলার পরবর্তী শুনানি ৮ সপ্তাহ পরে।

[আরও পড়ুন: সেন্সরের কোপে ‘ইন্ডিয়াজ মোস্ট ওয়ান্টেড’-এর ছাঁটাই দৃশ্য ঘুরছে নেটদুনিয়ায় ]

Advertisement

১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং করতে গিয়ে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে ছবির কয়েকজন অভিনেতা ও অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সলমন খান, টাবু, সোনালি বেন্দ্রে, নীলম ও সইফ আলি খান। এই মামলায় একমাত্র দোষী সাব্যস্ত হন সলমন খান। বাকিদের বেকসুর খালাস করে নিম্ন আদালত। গত বছর ৫ এপ্রিল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সলমনের শাস্তি হয়েছিল। সেসময় যোধপুর আদালত সলমনের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। যদিও দু’রাতের বেশি জেলের ভিতর কাটাতে হয়নি সলমনকে। কারণ, দু’দিনেই ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত জামিনে ছাড়া পেয়ে যান তিনি। তবে, রাজস্থানের নিম্ন আদালত তাঁদের নির্দোষ ঘোষণা করলেও রাজস্থান সরকার এই নির্দেশ মানতে পারেনি। সরকারের তরফে আপিল করা হয় রাজস্তান হাই কোর্টে। সেই কারণেই হাই কোর্টের তরফে সইফ আলি খান, সোনালি বেন্দ্রের, নীলম কোঠারি, টাবু ও দুষ্যন্ত সিংকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। এবার ফের নতুন করে আইনি নোটিস পাঠানো হয় সইফ, সোনালি, নীলম এবং টাবুকে।

[আরও পড়ুন: ফের ‘আলাদিন’ নিয়ে বিতর্ক, নেটদুনিয়ায় সমালোচিত উইল স্মিথের নাচ]

প্রায় বছর কুড়ি আগেকার ঘটনা। অক্টোবর, ১৯৯৮। যোধপুরে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং চলছিল। শুটিং চলাকালীনই কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা করার অভিযোগ ওঠে সলমন খানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সলমন নিজে গাড়ি চালিয়ে শিকারে বেরিয়েছিলেন সলমন। বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা বন্যপ্রাণ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের মানুষ এই হরিণকে সন্তানস্নেহে পালন করেন এবং রক্ষাও করেন। সেই গাড়িতে ছিলেন টাবু, সইফ ও সোনালি বেন্দ্রে। সেই গাড়িতে ছিলেন টাবু, সইফ, সোনালি বেন্দ্রেরাও। গতি বাড়িয়ে এলাকা থেকে উধাও হয়ে যান তারকারা। এরপরই সলমনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার মামলা রুজু হয়। মামলায় একমাত্র দোষী সাব্যস্ত হন সলমন খান।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.