Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সমীরা রেড্ডি

১০২ কেজি ওজন! অবসাদে চলে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী সমীরা

আত্মবিশ্বাস ফেরাতে কী করলেন অভিনেত্রী?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০১৯, ২১:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০১৯, ২১:৩৫

options
link
১০২ কেজি ওজন! অবসাদে চলে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী সমীরা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম সন্তান হান্সের পর দ্বিতীয়বার মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী সমীরা রেড্ডি। সম্প্রতি, অভিনেত্রী ইনস্টাগ্রামে বেবিবাম্পের ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। নেটদুনিয়ায় এই সুখবর দেওয়ার পাশাপাশি সমীরা শেয়ার করলেন তাঁর প্রথম প্রেগনেন্সি পরবর্তী অভিজ্ঞতা। সে সময় নাকি অভিনেত্রীর শরীরে এতটাই গত্তি লেগে গিয়েছিল যে মারাত্মক মোটা দেখাচ্ছিল তাঁকে। প্রকাশ্যে এসেছে সমীরার সেই সময়ের ছবিও।

[আরও পড়ুন:  মুনমুনের ‘বেড-টি’ মন্তব্য লজ্জার, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক স্বস্তিকা ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

একসময়ে অভিনেত্রী তাঁর শরীরী হিল্লোলে দর্শকদের ঘুম কেড়েছিলেন। সেই অভিনেত্রীর এহেন চেহারা দেখে অবাক হয়েছেন নেটদুনিয়ার অনেকেই। কিন্তু কীভাবে হল এই অবস্থা? এ প্রসঙ্গে সমীরা রেড্ডি বলেন, “বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই গর্ভবতী হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম সন্তান জন্মানোর পরই ফিরব কাজে। কিন্তু হান্স ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর ডাক্তার আমাকে বিশ্রামের পরমর্শ দিয়েছিলেন। কোনওরকম শারীরিক কসরত না হওয়ার ফলে ওজন বেড়ে হয়েছিল ১০২ কেজি। গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রির তথাকথিত লাইফস্টাইল মেনটেন করাও সম্ভব হয়নি তখন।”

[আরও পড়ুন: ভোট দিতে গিয়ে বিস্ফোরক কঙ্গনা, ‘ইতালিয়ান’ বলে কটাক্ষ সোনিয়াকে]

এর পাশাপাশি অভিনেত্রী জানান, “লাইমলাইটে থাকার সমস্যা হল দর্শক সব সময়ে নায়িকাদের পারফেক্ট ফিগারে দেখতে পছন্দ করেন। ব্যক্তি জীবনে যাই পরিবর্তন হোক না কেন, তা নিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো যাবে না। একসময়ে আমাকে সেক্সি স্যাম বলে ডাকা হত। কিন্তু ছেলে হওয়ার আগে আমি বাড়ি থেকে বেরোলেও লোকে আমাকে চিনতে পারত না। তারপরেও যখন আমার ওজন বেড়ে গিয়েছিল। তখনও সবাই বলত, এটা কী সমীরা? আত্মবিশ্বাস এতটাই কমে গিয়েছিল যে পুরোপুরি ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলাম আমি। বাড়ি থেকে বেরোতে ভয় পেতাম। মনে হত, লোকে কী বলবে! চাইতাম না লোকেরা আমার শরীর নিয়ে কথা বলুক। এই কথাগুলো বলতে এখন আমি বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করি না। এরপর ওজন কমাতে থেরাপির সাহায্য নিয়েছি। শরীরের মেদ কমিয়ে পারফেক্ট ফিগার তৈরি করতে প্রায় ২ বছর লেগেছে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.