Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Srijit Mukherji

‘ভদ্রতা বলে মনে করি…’, অনুষ্ঠানে ইংরাজি বলা নিয়ে সাফ কথা সৃজিতের

এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ইংরাজিতে কথা বলেছিলেন পরিচালক। তা নিয়েই চর্চা শুরু হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৩, ১৫:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৩, ১৫:২৭

options
link
‘ভদ্রতা বলে মনে করি…’, অনুষ্ঠানে ইংরাজি বলা নিয়ে সাফ কথা সৃজিতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ইংরাজিতে কথা বলেছিলেন। তাতেই চূড়ান্ত কটাক্ষের শিকার হন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় (Srijit Mukherji)। যে ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, সেখানেই পালটা জবাব দিলেন পরিচালক।

Srijit Mukherji

Advertisement

‘জনস্বার্থে পুনঃপ্রচারিত’ শীর্ষক পোস্টে পরিচালক লেখেন, “একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে, যেখানে সঞ্চালনা ইংরেজি এবং বাংলা দুই ভাষাতেই হচ্ছিল, সেখানে আমার ইংরেজিতে কথা বলা নিয়ে কিছু মানুষ আপত্তি জানিয়েছেন দেখলাম। তাঁদের জ্ঞাতার্থে বলি যে, যে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অবাঙালি, যেখানে তিনি মুখের সামনে বসে আছেন আর যেখানে কোনও অনুবাদক বা অনুবাদ যন্ত্র নেই, সেখানে আমি ইংরেজিতে কথা বলা ভদ্রতা বলে মনে করি। যাঁরা এই ব্যপারে দ্বিমত পোষণ করেন, করতেই পারেন, এই ব্যাপারে আমি অপারগ। আমার মাতৃভাষার প্রতি প্রেম এবং সাধারণ সহবত, এর মধ্যে স্ট্যাটিস্টিক্সের ভাষায় ‘Spurious correlation’ আছে বলে আমার বদ্ধমূল বিশ্বাস।”

Srijit-Mukherji-FB-post

[আরও পড়ুন: সৃজিতের ছবিতে ডবল ধামাকা, জুটি বেঁধে গান গাইলেন অরিজিৎ সিং ও সোনু নিগম]

প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক দিনে বাঙালির ইংরাজি প্রেম নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। লরেটো কলেজের পক্ষ থেকে ভরতি প্রক্রিয়ার নিয়মাবলীর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। তাতে লেখা – বাংলা মাধ্যম স্কুলে পড়াশোনা করা কোন ছাত্রী লরেটো কলেজে স্নাতক স্তরে ভরতি হতে পারবে না। এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভের ফেটে পড়ে বিপুল সংখ্যক বাঙালি।

পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় ভারতে বাঙালির অধিকার আদায়ের জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ লরেটো কলেজকে হুঁশিয়ারি দেয়, অবিলম্বে বাংলার মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে এই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হবে। তা না করলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষা দপ্তর এবং ইউজিসির কাছে কলেজের অনুমোদন বাতিল করার দাবি জানানো হবে এবং জাতিবিদ্বেষী এই বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শেষে চাপের মুখে নতিস্বীকার করে লরেটো কর্তৃপক্ষ। ক্ষমা চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করা হয়। এমন পরিস্থিতিতেই সৃজিতের ভিডিও ভাইরাল হয়। তা নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করা হতে থাকে। ফেসবুকের পোস্টে সেই বিদ্রুপেরই জবাব দিয়েছেন পরিচালক।

[আরও পড়ুন: প্রেমে পড়া সহজ নয়, বোঝাল বরুণ-জাহ্নবী জুটির ‘বাওয়াল’ ছবির টিজার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.