BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

এক গাল হাসির পিছনে কোন যন্ত্রণা লুকিয়ে ছিল জানা হল না, কাঁদিয়ে ক্রিজ ছাড়লেন পর্দার ধোনি

Published by: Sulaya Singha |    Posted: June 14, 2020 3:45 pm|    Updated: June 15, 2020 3:43 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লম্বা সুঠাম চেহারা। মন ভাল করা হাসি। আর হৃদয় ছোঁয়া অভিনয়। এই দিয়ে অনুরাগীদের মনের মণিকোঠায় জায়গা করে নিতে বিশেষ সময় লাগেনি তাঁর। পর্দার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ভক্তরা মাথায় তুলে রেখেছিলেন। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি যে জীবনকে কাই পো চে (ভো-কাট্টা) করে দেবেন সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput), কে জানত! তিনি আর নেই যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না অনুরাগীরা।

ইরফান খান, শাহরুখ খানদের মতোই সিরিয়াল দিয়ে অভিনয় কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। পৌঁছেছিলেন সাফল্যের শিখরে। ‘কিস দেশ মে হ্যায় মেরা দিল’ দিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে পদার্পণ। আর ‘পবিত্র রিস্তা’ দিয়ে ছোটপর্দাকে আলবিদা। রুপোলি পর্দার গ্ল্যামারাস দুনিয়া সুশান্তকে দু’হাত বাড়িয়ে স্বাগত জানিয়েছিল। ক্রিজে নেমে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকাতে আর ক’জন পারেন। সুশান্ত পেরেছিলেন। ‘সুদ্ধ দেশি রোম্যান্স’-এ তাঁর রোম্যান্টিক অবতার একেবারে পাশের বাড়ির ছেলেতে পরিণত করেছিল সুশান্তকে। সিনেপ্রেমীদের একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন পাটনার যুবক।

[আরও পড়ুন: গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করলেন অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত, শোকস্তব্ধ বলিউড]

আর টার্নিং পয়েন্ট? সে তো সবারই জানা। পর্দার এমএস ধোনি হতে রীতিমতো তপস্যা করেছিলেন যেন। দিনরাত ভারত অধিনায়কের বাড়ি গিয়ে পড়ে থাকতেন। তাঁর প্রতিটি গতিবিধি লক্ষ্য করতেন। তাই তো নিজের সেরাটা উজার করে দিতে পেরেছিলেন। তাঁর নিরীহ চোখের চাহনি আর অদম্য জেদের কাহিনির সাক্ষী থেকে ভারত যেন আরও একবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল। কিন্তু তাঁর জীবনের কী এমন ‘আনটোল্ড স্টোরি’ থেকে গেল, যা জীবন কেড়ে নিতে বাধ্য করল তাঁকে? জানা হল না কারও। এক গাল হাসির পিছনে কোন যন্ত্রণা লুকিয়ে রেখেছিলেন, বোঝা হল না কারও।

Sushant Singh Rajput death news

এমএস ধোনি হোক কিংবা পিকে, এসব ছবিতে কিন্তু মানুষকে ঘুরে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলেন সুশান্ত। এমনকী ‘ছিঁছোড়ে’ ছবিতে তো অবসাদ থেকে মুক্তির মন্ত্র দিয়েছিলেন। অথচ বাস্তবে হল উলটোটা। রিল লাইফের নায়করা যে রিয়েল লাইফের মানুষগুলির কাছে আইকনে পরিণত হন। তেমনই সুশান্তের আত্মত্যাগ, কাজের প্রতি ভালবাসা, জীবনকে অন্যভাবে বাঁচতে শেখা ভক্তদের অনুপ্রেরণা দিয়েছে বইকী। স্টারডম সামলেও যে একজন ভাল অভিনেতা হওয়া যায়, তা বক্স অফিসে ঝড় তোলার সঙ্গে অভিনয় দিয়ে মন জয় করে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন সুশান্ত।

মনের মতো ‘হামসফরে’র অভাবেই কি ‘চার কদম’ চলে থমকে গেল সুশান্তের পা? এ নিয়ে হয়তো কোনও ‘ব্যোমকেশ বক্সী’ বিস্তর কাটাছেঁড়া করবেন। কিন্তু তাঁর প্রয়াণে যে শুধু বলিউডে নয়, গোটা দেশের উপর অকাল বর্জ্রাঘাত হল, তা তিনি জানতেও পারলেন না।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement