সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপরাজিত রায় হিসেবে দর্শকদের ভালবাসা যেমন পেয়েছেন, তেমনই পেয়েছেন সমালোচকদের প্রশংসা। তবুও মনখারাপ জিতু কমলের (Jeetu Kamal)। জন্মদিনের (গত রবিবার) ঠিক আগের রাতেই তিনি জানতে পারেন আগামী ছবি ‘তিতুমীর’ ছবির কাজ পিছিয়ে গিয়েছে। এতেই চূড়ান্ত হতাশ অভিনেতা।

‘অপরাজিত’ (Aparajito) ছবির সাফল্যের পর থেকে ‘তিতুমীর’ ছবির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন জিতু। কিন্তু শুটিং শুরু হওয়ার সাত দিন আগেই জানতে পারেন ছবির কাজ পিছিয়ে গিয়েছে। এতে বিধ্বস্ত অভিনেতা। জন্মদিনের দিনই ফেসবুকে নিজের হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। অভিনেতা জানান, নিজের চরিত্রের জন্য তিনি কতটা পরিশ্রম করেন। সব সময় দু’শো শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করেন। সাফল্য এবং ব্যর্থতা দুই-ই প্রাপ্তির ঝুলিতে এসেছে বলে জানান জিতু। এরপরই ‘অপরাজিত’ ছবির প্রসঙ্গ তোলেন।
[আরও পড়ুন: ললিত মোদির সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জনের মাঝে ফের প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে সুস্মিতা]
জিতু জানান, ‘অপরাজিত’ তাঁকে অনেক সাফল্য দিয়েছে। আনন্দ এবং তৃপ্তিও দিয়েছে। এর পাশাপাশি কিছু তীব্র কষ্টও দিয়েছে। সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ তৈরির নেপথ্য কাহিনি নিয়ে গল্প। তাতে কিংবদন্তি পরিচালকের ভূমিকাতেই অভিনয়ের জন্য জিতুকে অনেক কিছু ত্যাগ করতে হয়েছে। বহু মানুষ তাঁকে ভুল বুঝেছেন। আবার ইমেজ ধরে রাখার জন্য অনেক কাজ ছেড়েছেন বলেও জানান অভিনেতা।

এরপরই ফেসবুকে লেখেন, “…তবে, এটাও তো ঠিক বলুন আমি কুবেরের সন্তান নই। এই যেমন গতকাল (শনিবার) রাতে জানতে পারলাম যে আমার তিতুমীর ছবিটি পোস্টপোন হয়েছে। কী কারণ, কী বৃত্তান্ত সে বিষয়ে নাইবা ঢুকলাম কিন্তু ছবিটির জন্য আমি গত দু’মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। কিন্তু ছবির শুটিং শুরু হওয়ার ৭ দিন আগে জানতে পারছি ছবিটি তৈরি হচ্ছে না। জানেন, একজন শিল্পীর মনের উপর কতটা চোট পড়ে! মানসিকভাবে কতটা বিধ্বস্ত হয় একজন শিল্পী!” তবে যাই হয়ে যাক না কেন হাল ছাড়বেন না বলেও জানিয়ে দেন অভিনেতা। ঈশ্বর তাঁকে যা দিয়েছেন তাতেই সন্তুষ্ট বলে জানান অভিনেতা।
[আরও পড়ুন: আয়ুষ্মানকে দেখে নদীতে ঝাঁপ দিতে গেলেন মহিলা অনুরাগী! তারপর…]
সর্বশেষ খবর
-
টাকার প্রয়োজনে কাজ করতেন কারখানায়, ‘শ্রমিক’ উন্দেভের রূপকথায় নকআউটে জার্মানি
-
‘হরমুজ বন্ধ হলেই ইরান ধ্বংস করব’, ফের হুমকি ট্রাম্পের, পালটা তোপ তেহরানের
-
সাত শৃঙ্গের মাঝে পবিত্র হ্রদ, শুরু হল হেমকুণ্ড যাত্রা, কীভাবে যাবেন, জেনে নিন খুঁটিনাটি
-
মিড ডে মিলের বরাদ্দবৃদ্ধি, বাড়ছে রাঁধুনিদের পারিশ্রমিকও, সব স্কুলে বসবে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন
-
সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে ৬০ কিমি বাঁধ, সুন্দরবনকে ‘সুন্দর’ করতে বাজেটে ঢালাও বরাদ্দ