২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিদ্যুতের বিল বিভ্রাটে জেরবার অঙ্কুশও! CESC-কে একহাত নিলেন ক্ষুব্ধ অভিনেতা

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: July 17, 2020 5:57 pm|    Updated: July 17, 2020 5:57 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বলিউডের পর এবার টলিউড তারকারাও মাত্রাতিরিক্ত বিদ্যুতের বিল নিয়ে নাজেহাল। মুম্বইতে আদানি আর কলকাতায় সিইএসসি, ইলেকট্রিকের বিল দেখলে চক্ষু চড়ক গাছ হতে বাধ্য আপনারও! বিদ্যুতের বিল দেখে সাধারণ মানুষ তো বিপর্যস্তই, এবার CESC’র অতিরিক্ত বিল বিভ্রাটের শিকার টলিউড অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা (Ankush Hazra)। স্বাভাবিকবশতই মাত্রাতিরিক্ত বিল দেখে ক্ষুব্ধ তিনি। যার জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় CESC-কে একহাত নিতেও পিছপা হননি তিনি।

বিদ্যুতের বিল এই মাসে কত এল, আর আগের মাসের কত এল? সেই হিসেব মধ্যবিত্তরা মোটামুটি মুখস্থই রাখে! কিন্তু বিদ্যুতের বিল নিয়ে তারকাদের হইচই? টলিউডে সম্ভবত প্রথম। প্রতি মাসেই গড়ে প্রায় একইরকম বিদ্যুতের বিলের জন্য হিসেব কষে টাকা বরাদ্দ থাকে, কিন্তু চলতি লকডাউনে ইলেকট্রিক বিলের হিসেব যেন কিছুতেই মিলতে চাইছে না! CESC’র পাহাড়প্রমাণ বিলে চক্ষু চড়কগাছ হচ্ছে অনেকেরই। বিদ্যুতের বিল নিয়ে যখন নাজেহাল কলকাতাবাসী, তখন সেই কোপ থেকে বাদ পড়লেন না অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাও। তাঁর বাড়ির ইলেকট্রিল বিল জানলে অবাক হবেন আপনিও। অন্যান্য মাসের তুলনায় বেড়ে পাঁচগুণ হয়েছে।

“যশ ভাই টর্চ জ্বালিয়ে ছবি তোল এখন, নাহলে ১ লাখ বিল আসবে।”- অঙ্কুশ 

অঙ্কুশের মন্তব্য, “৪ হাজার থেকে ২১ হাজার টাকা? বিশ্বাস করুন, লকডাউনে আমি আমার বাড়ির চারদিকে কোনও ডিস্কো লাইট লাগাইনি কিংবা সেরকম কোনও ইলেকট্রিক জিনিসও ব্যবহার করিনি, যে এত বিল আসবে! দয়া করে আমাদের সঙ্গে এসব করবেন না!”

[আরও পড়ুন: হোম কোয়ারেন্টাইনে সৌরভ, শুরুর আগেই বাতিল ‘দাদাগিরি’র শুটিং]

অন্যদিকে অঙ্কুশের পাশাপাশি যশ দাশগুপ্তও (Yash Dasgupta) একই হয়রানির শিকার। অঙ্কুশ ঠাট্টাচ্ছলে যশকে এও বলেন যে, “ভাই টর্চ জ্বালিয়ে ছবি তোল এখন, নাহলে ১ লাখ বিল আসবে।” অভিনেতা জানান, আগের মাসে বিদ্যুতের বিল বাবদ ৩ হাজার ২৮০ টাকা মিটিয়েছিলেন তিনি। এ মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৬৬০ টাকা। সিইএসসিকে ট্যাগ করে টুইটারে তিনি লেখেন, “এটা নিউ নর্মাল হতে পারে না! গত কয়েক বছর ধরে যা দিয়ে আসছি, সেই তুলনায় অদ্ভুতভাবে বাড়িয়ে ১৭ হাজার ৬৬০ টাকার বিল পাঠানো হয়েছে আমাকে। সিইএসসিকে অনুরোধ করব বিষয়টি খতিয়ে দেখুক তারা।”

লকডাউনে অনেকেই কাজ হারিয়েছেন, কেউ পুরো পারিশ্রমিকও পাচ্ছেন না, এমতাবস্থায় এমন চড়া বিদ্যুতের বিল দেখে ওষ্ঠাগত কলকাতার জনজীবন।

[আরও পড়ুন: ‘গায়ে মাটি মেখে কৃষক সেজেছে, যত্ত তামাশা!’, সলমনকে কটাক্ষ বিজেপি নেতা অনুপমের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement