Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
শ্রাবন্তী

‘কখন যে ও নিজে হাতে আমার উপোস ভাঙাবে’, করবা চৌথে স্বামীর অপেক্ষায় শ্রাবন্তী

জানেন, প্রথম করবা চৌথে শ্রাবন্তী কী কী করছেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০১৯, ২০:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০১৯, ২০:৩১

options
link
‘কখন যে ও নিজে হাতে আমার উপোস ভাঙাবে’, করবা চৌথে স্বামীর অপেক্ষায় শ্রাবন্তী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি বঙ্গতনয়া, কিন্তু পাঞ্জাবী ঘরের বধূ হয়েছেন। তা বিয়ের প্রথম বছর করবা চৌথ পালন করবেন না, এমনটা আবার হয় নাকি! অতঃপর উপোস করে, সেজেগুজে স্বামীর মঙ্গল কামনার্থে প্রথম করবা চৌথ উদযাপনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। একসঙ্গে দুর্গাপুজো কাটানোর পর এবার করবা চৌথ উদযাপন করবেন শ্রাবন্তী এবং রোশন।

সেই যখন ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ছবির ‘চাঁদ ছুপা বাদল মে’ গানটি শুনেছিলেন, তখন থেকেই করবা চৌথ উদযাপন করার সাধ জেগেছিল অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর মনে। শাড়ি পড়ে, সুন্দর সেজেগুজে স্বামীর সোহাগি হয়ে করবা চৌথের থালা সাজিয়ে চাঁদ দেখবেন, চালুনির ওপারে ড্যাবড্যাব করে তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকবেন স্বামী। ঠিক পরিকল্পনাই বিচরণ করত শ্রাবন্তীর কল্পজগতে। অবশেষে, আজ সেই সাধপূরণ হল অভিনেত্রীর। স্বামী রোশনের জন্য উপোস করে করবা চৌথ পালন করছেন শ্রাবন্তী। উল্লেখ্য, এই প্রথমবার কিন্তু করবা চৌথ পালন করছেন তিনি। সেই মানুষয়টির দীর্ঘায়ু এবং মঙ্গল কামনার জন্য, যাঁর মধ্যে স্বামীসুলভ ব্যাপারের থেকেও অনেক বেশি একজন বন্ধুকে খুঁজে পান শ্রাবন্তী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সম্পর্কে তিক্ততা, বিয়ে ভাঙছে তারকাজুটি ভাস্বর-নবমিতার ]

চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই কলকাতা থেকে চণ্ডীগড়ে উড়ে গিয়ে প্রেমিক রোশন সিংয়ের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন শ্রাবন্তী।   উপস্থিতি ছিলেন শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠ বন্ধু-বান্ধবরা। তা কেমন করে করবা চৌথ পালন করছেন এই টলি অভিনেত্রী? জানুন তাহলে। সূর্যোদয়ের আগেই শাশুড়ির হাতে শিমুইয়ের পায়েস খেয়েছেন। এরপর চাঁদ ওঠার অধীর অপেক্ষা। শ্রাবন্তী নাকি অপেক্ষা করছেন সেই মুহূর্তের জন্য যখন রোশন নিজে হাতে জল খাইয়ে তাঁর উপোস ভাঙাবেন। তারপর একসঙ্গে নৈশভোজের পরিকল্পনাও রয়েছে।

“বুধবার রাতে যখন আমি মেহেন্দি পড়তে বসেছিলাম, রোশন নিজে হাতে আমাকে খাইয়ে দিয়েছে। আর ওঁর যত্ন নেওয়ার এই ছোট ছোট দিকগুলোই আমার ভাল লাগে। আমার শাশুড়ি, ননদ, আমি সবাই একসঙ্গে করবা চৌথ পালন করব। শাশুড়ি আমাকে লাল-সোনালি রঙের শাড়ি, আলতা-সিঁদুর, টো-রিং সব দিয়ছেন। সেগুলোই পরব নিয়ম পালনের সময়।” 

[আরও পড়ুন: রানুর পর অবিনাশ, বাংলার অন্ধ ছেলের গান শুনে কাঁদলেন রিয়ালিটি শোয়ের বিচারকরা]

https://www.instagram.com/p/B3uR8J4h0JN/?fbclid=IwAR3qR7qekCXVZAh5Sd5_D81sZp2P796fYT7oeIl2XyqJGG43MGC_oYxgsa0

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.