Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৭ জুন ২০২৬
Tollywood News

অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা, কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার প্রযোজক শ্যামসুন্দর দে

শ্যামসুন্দর দে'র বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ এনেছিলেন অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫, ১২:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫, ১২:২৩

options
link
অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা, কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার প্রযোজক শ্যামসুন্দর দে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকমাস আগেই প্রযোজক শ্যামসুন্দর দে’র বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ এনেছিলেন অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়। সপ্তাহান্তে সেই প্রযোজককেই গ্রেপ্তার করল মুম্বই পুলিশ।

এই নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী বলেছেন, “তিন মাস আগে এই নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। অবশেষে অপরাধী গ্রেপ্তার হল। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেই বিষয়টি হয়েছে। মুম্বই পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে কলকাতায় এসে দোষীকে গ্রেপ্তার করেছে। কলকাতা পুলিশের সহায়তায়। আইনের উপর ভরসা রেখেছিলাম যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ হোক এতাই চাই।” দু’মাস আগে স্বামী কুণাল বার্মার সঙ্গে একটি রকতি ভিডিও পোস্ত করেছিলেন পূজা। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েই দু’জন ভিডিও করেছিলেন। সেখানেই অভিযোগ এনেছিলেন তাঁরা প্রযোজকের বিরুদ্ধে। আর্থিক প্রতারণা থেকে অপহরণের মতো অভিযোগ ছিল শ্যামসুন্দর দে’র বিরুদ্ধে। যদিও সমস্ত অভিযোগ এর আগে অস্বীকার করেছিলেন প্রযোজক। তবুও শেষ রক্ষা হল না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুধু তাই নয়, সাংবাদিক বৈঠক করে পূজা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুণাল বর্মা অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন প্রযোজক শ্যাম সুন্দর দে এবং তাঁর স্ত্রী মালবিকা দে’র উদ্দেশে। তারকাদম্পতির দাবি ছিল “আপনাদেরই উচিত আমাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া। কারণ আপনারা আমাদের ফোন নম্বর ভাইরাল করে দিয়েছেন। আর তার পর থেকে এমন সব ফোন আসছে, যা বলতেও আমাদের রুচিতে বাধছে! অনুরাগীরা আমাদের ভালবাসেন ঠিকই, কিন্তু কিছু মানুষ আমাদের কথা না শুনেই আমাদের ওপর ঘৃণাবর্ষণ করে চলেছেন। অনেক খারাপ কথা বলা হচ্ছে আমাদের। শুধু তাই নয়, লোকজন প্রশ্ন তুলছেন, কীভাবে কাউকে অপহরণ করতে পারি আমরা? এপ্রসঙ্গে বলে দিই, এটা হয়তো অন্য কারও জন্য সহজ হবে, কিন্তু আমাদের জন্য খুব কঠিন। কারণ আমাদের এক সন্তান আছে। এবং আমরা ওকে ছোট থেকেই ভালো শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টা করছি। ও বড় হয়ে কী শুনবে যে, ওর মা-বাবা অপহরণকারী? এটা তো অন্যায়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.