Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৬ জুন ২০২৬

আমার দুগ্গা: মেয়েরা কখন আসবে দেখে সেই সময় মণ্ডপ যেতাম

আর কী বললেন সব্যসাচী চক্রবর্তী? দেখুন ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ১৪:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ১৪:১৯

options
link
আমার দুগ্গা: মেয়েরা কখন আসবে দেখে সেই সময় মণ্ডপ যেতাম zoom

নতুন জামার গন্ধ। পুজোসংখ্যার পাতায় নয়া অভিযান। শরতের নীল-সাদা মেঘের ভেলায় পুজোর ছুটির চিঠি। ছোটবেলার পুজোর গায়ে এরকমই মিঠে স্মৃতির পরত। নস্ট্যালজিয়ার ঝাঁপি খুললেন সব্যসাচী চক্রবর্তী

হাই স্কুলে যখন পড়ি তখন থেকেই পুজোটা বেশ নিজের নিজের বলে মনে হত। তার আগে পুজো মানেই ছিল মা-বাবার সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো। আর মণ্ডপে গিয়ে বেলুন ফাটানো। বা বুড়ির চুল খাওয়া। একটু যখন বড় হয়েছি, তখন থেকে পুজোটা বেশ নিজের নিজের লাগত। তারপর কলেজে গিয়ে পুরো বিষয়টা বদলে গেল। সেই সময় পুজো মানে খুব আনন্দের। সারা বছর প্রায় অপেক্ষা করতাম পুজোর জন্য। আর ওই সময় পুজোর সঙ্গে আমার খুব ইনভলভমেন্ট ছিল। মানে চাঁদা তোলা থেকে শুরু করে পুজোর সব কিছুতে জড়িয়ে থাকতাম। যা করতাম খুব নিষ্ঠাভরে করতাম। ভক্তিঘরে করতাম কি না সে প্রশ্ন বরং তোলা থাক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আমার দুগ্গা: অচেনা বাড়ির পুজোয় ঘরের ছেলে সেজে ঢুকে পড়তাম ]

এই সময় একটা ব্যাপার ছিল সাজগোজ করা। বাবাকে বলে একটা নতুন জিনস আর জ্যাকেট আদায় করতাম। একটা সানগ্লাস কেনা হত। তারপর সেজেগুজে মেয়েরা কখন আসছে, সেই সময় মিলিয়ে মণ্ডপ যাওয়া হত। ওই বয়সের পুজোয় যা হয় আর কী। পাশাপাশি পুজোর সময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হত। তার সবকিছুতেই আমি জড়িয়ে থাকতাম। গান হোক বা নাটক সবকিছুতেই আছি। গানে হয়তো কোরাসে পিছনের সারিতে। সমবেতভাবে গাইছি। কিন্তু লোকে ভাবত, এও ভাল গায়। এই জড়িয়ে থাকাটা এতটা মারাত্মক ছিল যে, পুজো চলে গেলেই খাঁ খাঁ করত। ভীষণ বিষণ্ণ লাগত। আবার একবছরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ভেবেই মন কেমন করত। এখন অভিনেতা হয়ে সবই বদলে গিয়েছে। ছোটবেলার পুজোর সঙ্গে এখনকার পুজোর কোনও মিল নেই। তবে আমি চাই লোকে এনজয় করুক, পাশাপাশি একজন অন্যের কথা ভাবুক। এটাই হল আসল পুজো। পুজো মানে বারোয়ারি। একজন অন্যজনের কথা ভাবার নামই হল পুজো।

আমার দুগ্গা: হজমি গুলি কেনা আর বন্দুক ফাটানো ছিল মাস্ট ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.