নতুন জামার গন্ধ। পুজোসংখ্যার পাতায় নয়া অভিযান। শরতের নীল-সাদা মেঘের ভেলায় পুজোর ছুটির চিঠি। ছোটবেলার পুজোর গায়ে এরকমই মিঠে স্মৃতির পরত। নস্ট্যালজিয়ার ঝাঁপি খুললেন সব্যসাচী চক্রবর্তী।
হাই স্কুলে যখন পড়ি তখন থেকেই পুজোটা বেশ নিজের নিজের বলে মনে হত। তার আগে পুজো মানেই ছিল মা-বাবার সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো। আর মণ্ডপে গিয়ে বেলুন ফাটানো। বা বুড়ির চুল খাওয়া। একটু যখন বড় হয়েছি, তখন থেকে পুজোটা বেশ নিজের নিজের লাগত। তারপর কলেজে গিয়ে পুরো বিষয়টা বদলে গেল। সেই সময় পুজো মানে খুব আনন্দের। সারা বছর প্রায় অপেক্ষা করতাম পুজোর জন্য। আর ওই সময় পুজোর সঙ্গে আমার খুব ইনভলভমেন্ট ছিল। মানে চাঁদা তোলা থেকে শুরু করে পুজোর সব কিছুতে জড়িয়ে থাকতাম। যা করতাম খুব নিষ্ঠাভরে করতাম। ভক্তিঘরে করতাম কি না সে প্রশ্ন বরং তোলা থাক।
[ আমার দুগ্গা: অচেনা বাড়ির পুজোয় ঘরের ছেলে সেজে ঢুকে পড়তাম ]
এই সময় একটা ব্যাপার ছিল সাজগোজ করা। বাবাকে বলে একটা নতুন জিনস আর জ্যাকেট আদায় করতাম। একটা সানগ্লাস কেনা হত। তারপর সেজেগুজে মেয়েরা কখন আসছে, সেই সময় মিলিয়ে মণ্ডপ যাওয়া হত। ওই বয়সের পুজোয় যা হয় আর কী। পাশাপাশি পুজোর সময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হত। তার সবকিছুতেই আমি জড়িয়ে থাকতাম। গান হোক বা নাটক সবকিছুতেই আছি। গানে হয়তো কোরাসে পিছনের সারিতে। সমবেতভাবে গাইছি। কিন্তু লোকে ভাবত, এও ভাল গায়। এই জড়িয়ে থাকাটা এতটা মারাত্মক ছিল যে, পুজো চলে গেলেই খাঁ খাঁ করত। ভীষণ বিষণ্ণ লাগত। আবার একবছরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ভেবেই মন কেমন করত। এখন অভিনেতা হয়ে সবই বদলে গিয়েছে। ছোটবেলার পুজোর সঙ্গে এখনকার পুজোর কোনও মিল নেই। তবে আমি চাই লোকে এনজয় করুক, পাশাপাশি একজন অন্যের কথা ভাবুক। এটাই হল আসল পুজো। পুজো মানে বারোয়ারি। একজন অন্যজনের কথা ভাবার নামই হল পুজো।
[ আমার দুগ্গা: হজমি গুলি কেনা আর বন্দুক ফাটানো ছিল মাস্ট ]
সর্বশেষ খবর
-
মার্কিন মুলুকে কঠোর আইন! মাঝপথে প্র্যাকটিস বন্ধ করে হোটেলে ফিরলেন রোনাল্ডোরা
-
বাংলায় বন্দেমাতরম মিউজিয়াম, বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মদিনে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
-
ইসলামাবাদ হয়ে উঠছে! দেশ ‘বাঁচাতে’ আজান বন্ধের পথে ডেনমার্ক
-
সপ্তাহান্তে দুর্যোগের লাল সতর্কতা উত্তরবঙ্গে, সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে ঝড়বৃষ্টি
-
কিছুতেই মিলছে না মুখ! লেকটাউনের পর জন্মভূমি আর্জেন্টিনাতেও মেসি-মূর্তি নিয়ে মশকরা