Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
Bharat Kapoor

অসংখ্য পার্শ্বচরিত্রে জিতেছিলেন মন, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ভরত কাপুর

বয়স হয়েছিল ৮০। সোমবারই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে মুম্বইয়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ২৩:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ২৩:৫৫

options
link
অসংখ্য পার্শ্বচরিত্রে জিতেছিলেন মন, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ভরত কাপুর zoom
হিন্দি ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে মন জিতেছিলেন এই অভিনেতা।

চলে গেলেন বিশিষ্ট অভিনেতা ভরত কাপুর। বয়স হয়েছিল ৮০। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। অভিনেতা অবতার গিল তাঁর মৃত্যুর সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন। সোমবারই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে মুম্বইয়ে। রেখে গেলেন স্ত্রী লোপা এবং দুই পুত্র রাহুল ও সাগরকে। তাঁর কন্যা কবিতার মৃত্যু হয়েছিল কয়েক বছর আগে।

জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুর তিনটেয় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। তিনি নিজের বাড়িতেই ছিলেন ছিলেন। সন্ধ্যায় সাড়ে ৬টায় তাঁর শেষযাত্রা শুরু হয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবরাও। তাঁদেরই একজন অবতার গিল। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, ”আমি এইমাত্র শ্মশান থেকে ফিরেছি। সাড়ে ৬টা নাগাদ শেষকৃত্য হয় ওঁর। উনি আজ দুপুর তিনটে নাগাদ মারা গিয়েছেন। গত তিনদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। জানা গিয়েছে, ওঁর একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে গিয়েছিল। ওঁর ছেলে রাহুলই আমাকে ফোন করে বাবার প্রয়াণসংবাদ জানান। দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের সম্পর্ক আমাদের।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

থিয়েটারে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনয়ের সূচনা। এরপর গত শতকের সাতের দশকে হিন্দি ছবিতে হাতেখড়ি ভরতের। তাঁকে রুপোলি পর্দায় নিয়ে আসেন দেব আনন্দের ভাই চেতন আনন্দ। পরবর্তী প্রায় তিন দশক নিয়মিত নানা পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেছেন। কখনও খলনায়ক, কখনও আইনজীবী, কখনও পুলিশ অফিসার, নানা ভূমিকাতেই তিনি নিজেকে প্রমাণ করেন। তাঁর গুরুত্বপূর্ণ কাজের মধ্যে রয়েছে নুরি (১৯৭৯), রাম বলরাম (১৯৮০), লাভ স্টোরি (১৯৮১), বাজার (১৯৮২), গুলামি (১৯৮৫), আখরি রাস্তা (১৯৮৬). সত্যমেব জয়তে (১৯৮৭), স্বর্গ (১৯৯০), খুদা গাওয়া (১৯৯২), রং (১৯৯৩) প্রমুখ। পরবর্তী সময়ে বরষাত (১৯৯৫), সাজন চলে শ্বশুরাল (১৯৯৬) ছবিতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। ২০০৪ সালের ছবি মীনাক্ষ্মী: এ টেল অফ থ্রি সিটিস ছবিতেও তিনি অভিনয় করেছিলেন। যা বুঝিয়ে দেয় কত দীর্ঘ সময় তিনি কাজ করেছিলেন বলিউডে। ছায়াছবির পাশাপাশি ক্যাম্পাস, সাঁস, আমানত, তারা, চুনৌতির মতো একাধির ধারাবাহিকে কাজের সুবাদে তিনি হয়ে উঠেছিলেন টেলিভিশনেরও পরিচিত মুখ। তাঁর মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন বলিউড। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.