Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Soumitra Chatterjee

উদ্বেগের মধ্যেও সামান্য স্বস্তি, চোখ মেলে তাকালেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

কী বললেন চিকিৎসকরা, জানুন বিস্তারিত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০২০, ১৬:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০২০, ১৬:২৯

options
link
উদ্বেগের মধ্যেও সামান্য স্বস্তি, চোখ মেলে তাকালেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় zoom

গৌতম ব্রহ্ম ও অভিরূপ দাস: বর্ষীয়ান অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে (Soumitra Chatterjee) নিয়ে চিকিৎসকদের উদ্বেগ এখনও কাটেনি। ভেন্টিলেশন সাপোর্ট দিয়েও তাঁর অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯৫ শতাংশের আশেপাশে, যা মোটেও স্বাভাবিক বলে মনে করছেন না চিকিৎসকরা। দুর্গাপুজোর মতো কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোতেও যে শুয়েই কাটবে অভিনেতার, তা একপ্রকার নিশ্চিত। তবে এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার অনেক ডাকাডাকিতে দুপুরের দিকে অল্প চোখ খুললেন সত্যজিতের ‘অপু’। তাতেই খুশি চিকিৎসকরা। ডা. অরিন্দম করের কথায়, ”একে শারীরিক অবস্থার উন্নতিতে সদর্থক ধাপ হিসেবেই দেখছি।”

বিসর্জনের পরে এই সময়টায় বিষাদগ্রস্ত বাঙালি মন। সেই বিষাদেই মনখারাপের কালো মেঘ এনেছেন সংকটজনক সৌমিত্র। কোটি কোটি বাঙালির ‘ফেলুদা’। ‘ঝিন্দের বন্দি’তে দুঁদে উত্তমকুমারের দুর্ধর্ষ ভিলেন ময়ুরবাহন। কবে শ্যুটিং ফ্লোরে ফিরবেন তিনি? এ প্রশ্নের জবাব নেই চিকিৎসকদের কাছেও। ফি দিনের বেলভিউয়ের বুলেটিনে এখন একটি শব্দ ‘কমন’ – সংকটজনক। কোভিড এনসেফেলোপ্যাথিতে ক্রমশ চেতনা হারিয়েছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। নেমে গিয়েছে গ্লাসগো কোমা স্কেল। কাজ করছে না দুটি কিডনি। তিনটি ধাপে তাঁর ডায়ালিসিস চলবে। দুটি ধাপ শেষ হয়ে এসছে। ডাক্তারদের চিন্তায় রেখেছে তাঁর হিমোগ্লোবিনের মাত্রা। শারীরিক পরীক্ষা করে দেখা যায়, বৃহস্পতিবারও হিমোগ্লোবিনের মাত্রা অনেকটাই নেমে গিয়েছে। দ্রুত তা স্বাভাবিক করতে রক্ত দেওয়া হয়েছে অভিনেতাকে। ৮৫ বছরের অভিনেতার স্নায়বিক অবস্থার উন্নতি যেটুকু চোখে পড়ছে, তা অত্যন্ত ধীর গতির। বৃহস্পতিবার দুপুরে চিকিৎসকরা অনেকবার তাঁর নাম ধরে ডাকলে সামান্য চোখ মেলে তাকান তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সিক্স প্যাকে মন দিয়েছেন যিশু! ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করলেন ‘শার্টলেস’ সেলফি]

টানা ২৪ দিন ধরে বেলভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দীর্ঘ এই চিকিৎসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ভাবেই কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। করোনা আক্রান্ত অবস্থায় তাঁকে বেলভিউ হাসপাতালে ভরতি করা হয়। প্লাজমা থেরাপির পর তাঁর করোনা (Coronavirus) রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। সেইসঙ্গে চিকিৎসাতেও সাড়া দিতে থাকেন তিনি। কিন্তু আচমকাই তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক হয়ে পড়ে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে সমস্যা বাড়িয়েছে কোভিড এনসেফ্যালোপ্যাথি। তারপর থেকেই তাঁর চেতনা ক্রমশ কমতে শুরু করে। চিকিৎসকদের চিন্তায় রেখেছে সৌমিত্রের শরীরে সোডিয়াম, পটাশিয়ামের তারতম্য। নতুন করে স্নায়ুরোগ সংক্রান্ত জটিলতা দেখা না গেলেও প্রবীণ শিল্পীর উদ্বেগজনক স্নায়বিক অবস্থা নিয়ে ঘোর চিন্তায় চিকিৎসকরা।

[আরও পড়ুন: কর্ণি সেনার বিক্ষোভের জের! পালটে ফেলা হল অক্ষয় কুমারের ‘লক্ষ্মী বম্ব’ ছবির নাম]

ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট বিশেষজ্ঞ ডা. অরিন্দম করের বক্তব্য, গত চারদিনের মধ্যে এ দিনই একটু হলেও স্থিতিশীল আছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।কোনওরকম সাপোর্ট ছাড়াই তাঁর রক্তচাপ স্বাভাবিক – ১৪৫/৯০। বৃহস্পতিবার রাত্র চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ৫০ শতাংশের কম ভেন্টিলেশন সাপোর্টের প্রয়োজন হচ্ছে প্রবীণ অভিনেতার। অন্ত্রের রক্তক্ষরণ হচ্ছে না। শরীরে জ্বরও নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.