সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বলিউডের অভিনেত্রী জারিন খানের উত্থানের পর অনেকেই তাঁর চেহারার সঙ্গে খুঁজে পেয়েছিলেন ক্যাটরিনা কাইফের মুখের মিল। কিন্তু মুখের মিল থাকায় তা যে তাঁর ফিল্মি কেরিয়ার তৈরিতে খুব সাহায্য করেছিল এমনটা নয়। রীতিমতো তাঁকে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে হয়েছে। অভিনেত্রীও নিজের পায়ের তলার জমি শক্ত করতে ছিলেন বদ্ধপরিকর। তবে তিনি নানা চরিত্রে নিজেকে ভাঙার চেষ্টা করলেও তাঁর কাছে এসেছে একের পর এক অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয়ের প্রস্তাব। হেট স্টোরি ৩’, ‘আকসার ২’, ছবিতে সেভাবেই তাঁকে পেয়েছেন দর্শক। একের পর টাইপকাস্ট হয়ে থেকে যেতে চাননি জারিন। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলিউডে কাজের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।
জারিন জানিয়েছেন যে, তাঁর কাছে একটা সময়ের পর শুধুই ঘনিষ্ঠ দৃশ্য আছে এমন ছবিতে অভিনয়ের সুযোগই। এছাড়াও তিনি বলেন, “আমার কাছে যখন ‘আকসার ২’ ছবির প্রস্তাব আসে তখন আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম। মনে হয়েছিল যে আমি একটি হিট ছবির সিক্যুয়েলের অংশ হতে চলেছি। পরিচালক জানিয়েছিলেন যে, এই ছবিতে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত সেই অর্থে থাকবে না। শুটিং শুরু হওয়ার পর আমি দেখি ঠিক উলটোটা হচ্ছে। প্রথমে চুমুর দৃশ্য ও তারপর একের পর এক অন্তরঙ্গ মুহূর্তের শুটিং হয়েই চলে। যা আমার অস্বাভাবিক লাগে। আমি প্রতিক্রিয়া জানাই এর পর।”
পরিচালক সম্পর্কে জারিন আরও বলেন, “পরিচালক এই নিয়ে প্রযোজকদের সামনে কোনও কথাই বলতে পারতেন না। তিনি আমাকে বলতেন যে প্রযোজনা সংস্থার তরফে তাঁর উপর চাপ রয়েছে। আর এই কারণে যেখানে দরকার নেই আমাকে সেই দৃশেও চুমু খেতে হয়েছে। যেগুলোর কোনও প্রয়োজন ছিল না। এমনকি এত অদ্ভুত কিছু পোশাক পরতে দিত। এরপর ওরা হঠাৎই আমার সঙ্গে অদ্ভুত আচরণ শুরু করে।” ছবির শুটিংয়ে নানা আপত্তি তোলার পর সেই ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে আমন্ত্রণ পর্যন্ত পাননি জরিন। রটে যায় তাঁর সঙ্গে কাজ করা কঠিন।
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’