Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Lila Smriti Puraskar 2026

৭০-এর দশকের বারুদ-ইতিহাসের স্বীকৃতি, পুরস্কৃত অশোককুমারের উপন্যাস ‘আটটা নটার সূর্য’

নকশাল আন্দোলনকে উপন্যাসের ফ্রেমে সার্থকভাবে বন্দি করেছেন কথাসাহিত্যিক অশোককুমার মুখোপাধ্যায়। তাঁর গবেষণাধর্মী উপন্যাস ‘আটটা নটার সূর্য’ এবার সম্মানিত হল অনন্য সম্মানে। ২০২৬ সালের ‘লীলা স্মৃতি পুরস্কার’ পেল এই সাড়া জাগানো বইটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৬, ১৬:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৬, ১৬:৪৬

options
link
৭০-এর দশকের বারুদ-ইতিহাসের স্বীকৃতি, পুরস্কৃত অশোককুমারের উপন্যাস ‘আটটা নটার সূর্য’ zoom
‘লীলা স্মৃতি পুরস্কার’ পেলেন সাহিত্যিক অশোককুমার মুখোপাধ্যায়। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

সত্তরের দশক। বারুদ আর স্লোগানে চেনা কলকাতার ঘুম ভাঙত। এক লহমায় বদলে গিয়েছিল গোটা বাংলার চেনা ছবিটা। সেই নকশাল আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলি, এক প্রজন্মের ভাঙাগড়ার স্বপ্ন আর বুকের ভিতর জমে থাকা রক্তক্ষরণের ইতিহাসকে আরও একবার সজীব করে তুলল সাহিত্য। ইতিহাসের পাতায় ধুলোজমা সেই আখ্যানকে উপন্যাসের ফ্রেমে সার্থকভাবে বন্দি করেছেন কথাসাহিত্যিক অশোককুমার মুখোপাধ্যায়। তাঁর গবেষণাধর্মী উপন্যাস ‘আটটা নটার সূর্য’ এবার সম্মানিত হল অনন্য সম্মানে। ২০২৬ সালের ‘লীলা স্মৃতি পুরস্কার’ (Lila Smriti Puraskar 2026) পেল এই সাড়া জাগানো বইটি।

কলকাতার মহাজাতি অ্যানেক্স হলে আয়োজিত হয়েছিল পঞ্চম বর্ষের এই পুরস্কার বিতরণী সভা। ‘পিকনিক গার্ডেন লীলা সেবা সোসাইটির’ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে লেখকের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়া হয়। একটি প্রথম সারির বাংলা পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার সময় থেকেই এই উপন্যাস পাঠক মহলে আলোড়ন তুলেছিল। ছাত্র-যুব সমাজের তীব্র আদর্শবাদ, রাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত এবং অজস্র তাজা প্রাণ হারিয়ে যাওয়ার সেই মরণপণ লড়াইকে অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে ছুঁয়ে গেছেন লেখক।

Advertisement

পুরস্কার মঞ্চে দাঁড়িয়ে সাহিত্যিক অশোককুমার মুখোপাধ্যায় ‘তথ্য-উপন্যাস লেখার চ্যালেঞ্জ’ বিষয়ে দ্বিতীয় বর্ষের শচীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য স্মারক বক্তৃতাও দেন। এ দিনের অনুষ্ঠানটি কেবল পুরস্কার বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। কবি সম্মেলন ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এই উদযাপনে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। সংস্থার কর্ণধার ডা. সৌম্য ভট্টাচার্য জানান, সমাজসেবার পাশাপাশি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। নতুন প্রজন্মের কাছে এই জ্বলন্ত ইতিহাসকে পৌঁছে দিতে এই উপন্যাস বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। ইতিহাস আর সাহিত্যের এই যুগলবন্দি সত্যিই বিরল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.