সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন সহস্রাব্দের শুরুর বছরগুলোয় একে একে আত্মপ্রকাশ করে অসংখ্য বেসরকারি এফএম চ্যানেল। রেডিওর দুনিয়ায় রাতারাতি ‘বিপ্লব’ ঘটে গিয়েছিল। কিন্তু সেই জোয়ার এবার কি স্তব্ধ হতে চলেছে? এমনই ইঙ্গিত দিয়ে এইচটি মিডিয়া গ্রুপের কর্তা রমেশ মেনন জানিয়ে দিলেন, বন্ধ হয়ে যাবে ফিভার এফএম (Fever FM)। লিঙ্কডিনে একটি পোস্টে এই ঘোষণা করেছেন তিনি।
কেবল বন্ধের ঘোষণাই নয়, রমেশের পোস্টজুড়ে রয়েছে রেডিওর মৃত্যুর ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ও। এইচটি মিডিয়ার চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার তিনি। অডিও বিজনেস শাখার। সেই তিনিই দুঃসংবাদ দিলেন সোশাল মিডিয়ায়। লিঙ্কডিনে তাঁকে লিখতে দেখা যায়, ‘বিষণ্ণ হৃদয়ে একটি জরুরি ঘোষণা করছি। আপনারা, আমাদের পার্টনার ও শ্রোতারা, সমস্ত উত্থান-পতনের সময় সঙ্গে থেকেছেন। কিন্তু সকলের জন্যই এবার এই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। আক্ষরিক ও শৈল্পিক, সব অর্থেই রেডিও আপনাদের যাত্রার অংশ হয়ে থেকেছে। প্রতিটা দিন। কিন্তু কথায় রয়েছে, সব যাত্রাই একদিন শেষ হবে। আর রেডিওর মৃত্যু আপনাদের আশঙ্কার চেয়েও কাছাকাছি চলে এসেছে।’
[আরও পডুন: আরএসএস নেতা খুনে পপুলার ফ্রন্টের ১৫ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিল কেরলের আদালত]
তাঁর এই পোস্টের পর স্বাভাবিক ভাবেই মনখারাপ রেডিওপ্রেমীদের। গত শতাব্দীর নয়ের দশকে ১০৭ নম্বর মেগাহার্ৎজের এফএম রেনবোর আত্মপ্রকাশ। এর পরের দশকে একে একে বেতার তরঙ্গে জুড়ে যায় বেসরকারি এফএম চ্যানেলগুলো। গাড়ি থেকে জনবহুল স্থান, গমগম করে বাজতে থাকে রেডিও। সেই দিনের বোধ হয় এবার ‘অতীত’ হওয়ার পালা! ফিভার এফএমের মৃত্যুঘণ্টা সেই ‘সিঁদুরে মেঘ’ই বুঝি দেখিয়ে দিল। যদিও শোনা যাচ্ছে, একেবারে বন্ধ হবে না চ্যানেলটি। তাকে ‘ফিভার হ্যাপেনিং’- এহেন নতুন নামে লঞ্চ করা হতে পারে। এই গুঞ্জন সত্যি হোক, চাইছে রেডিওপ্রেমীরা।
[আরও পড়ুন: বাজেট অধিবেশনেই CAA লাগুর পরিকল্পনা! কোন পথে হাঁটছে কেন্দ্র?]
সর্বশেষ খবর
-
দলে কথা বলার সুযোগ পাননি! ভোটে হেরে রাজনৈতিক সন্ন্যাসের সিদ্ধান্ত প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিসের
-
‘বিজেপির দরজা বন্ধ, তাতেই দলটা…’, তৃণমূলের ভাঙনে অভিষেকের ‘দরজা’ মন্তব্য মনে করালেন দিলীপ
-
চালকল সিন্ডিকেটের ‘অঘোষিত সম্রাট’,কোটি কোটি টাকা আত্মসাতে গ্রেপ্তার অনুব্রতর ‘ছায়াসঙ্গী’
-
এবার কলকাতা পুরসভাতেও ‘নতুন তৃণমূল’, কানন-স্নেহে ‘ছোট লালবাড়ি’র রাশও হারাবেন মমতা!
-
সিএবির সাপোর্ট ছাড়া একশো ম্যাচ খেলতে পারত? ‘প্রতিভাহীন’ সৌরাশিসকে পালটা কোষাধ্যক্ষের