সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রমশ কমছে মানুষের ধৈর্য। বই না পড়ে মানুষ এখন সময় কাটায় রিলস দেখে। এমন একটা সময়ে দাঁড়িয়ে বই লিখে কীই বা লাভ! এমনই আক্ষেপ করতে দেখা গেল তসলিমা নাসরিনকে। তাঁর পোস্ট ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি লেখালেখি ছেড়ে দিচ্ছেন সাহিত্যিক?
ঠিক কী লিখেছিলেন তিনি? বৃহস্পতিবার গভীর রাতের পোস্টে তসলিমা (Taslima Nasrin) লেখেন, ‘মানুষ আর বই পড়ে না, পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ছোট ছোট কমেন্টস। মানুষ আর সংবাদপত্র পড়ে না, বড়জোর শিরোনাম পড়ে। মানুষ এখন আর সিনেমা দেখে না, দেখে রীলস। কমেডি করো দেখবে, ভায়োলেন্স দেখবে। আমি কিছুদিন হলো কবিতা পড়ার ভিডিও পোস্ট করছি ফেসবুকে। প্রচুর ভিউয়ার, কিন্তু ইনসাইটে গিয়ে দেখি অধিকাংশই ৩ সেকেন্ড দেখে বেরিয়ে গেছে। অস্থির একটা প্রজন্ম তৈরি হয়েছে গত তিরিশ বছরে। এদের জন্য কষ্ট করে বই লিখে কী লাভ? মনে হয় লেখালেখি বাদ দিয়ে বই পড়ে আর নাটক-সিনেমা দেখে, যা খেতে মন চায় তা তৃপ্তি করে খেয়ে, পৃথিবী ভ্রমণ করে, আনন্দ উল্লাস করে জীবনের বাকিটা সময় কাটিয়ে দেওয়াই ভালো।’
[আরও পড়ুন: স্বামীকে কেটে ৫ টুকরো করে খালে ভাসিয়ে দিল স্ত্রী! চাঞ্চল্য যোগীরাজ্যে]
তসলিমার এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সাড়ে সাতশোর বেশি শেয়ার হয়েছে পোস্টটি। বহু নেটিজেনই সাহিত্যিককে আরজি জানিয়েছেন, তিনি যেন এমন একটা সময়ে হতাশ না হয়ে সকলকে উদ্দীপ্ত করার জন্য লেখা চালিয়ে যান। একজন লিখেছেন, ‘আপনি ভীষণ খাঁটি একজন মানুষ। প্রতিভা আর সত্য কথা বলার দাম তো দিতে হবেই। সুতরাং আপনি লিখে যান। এই প্রজন্মের যখন হুঁশ ফিরবে তখন হয়তো অনেক দেরি হয়ে যাবে।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘যারা পড়তে চায়, কবিতা শুনতে চায়, সিনেমা দেখতে চায় তাদের সংখ্যাটাও কম নয়, তাদের কথা ভেবে না হয় লিখবেন।’
[আরও পড়ুন: ‘অভিনেতারা আসলে সবার বাবার সম্পত্তি, যা ইচ্ছে করা যায়’! কাকে খোঁচা স্বস্তিকার?]
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে