Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
তসলিমা

৩৭০ ধারার পদ্ধতি প্রয়োগ করে বিলুপ্ত হোক ইসলামিক আইনও, মন্তব্য তসলিমার

লেখিকার এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে কট্টরপন্থীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০১৯, ২০:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০১৯, ২০:০৩

options
link
৩৭০ ধারার পদ্ধতি প্রয়োগ করে বিলুপ্ত হোক ইসলামিক আইনও, মন্তব্য তসলিমার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৩৭০ ধারা বিলুপ্তির পর পুনর্জন্ম হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের। ‘এক দেশ এক সংবিধান’-এ এখন আরও ঐক্যবদ্ধ ভারতবর্ষ। দেশের বৃহদাংশের এমন মতামতের সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিনও। আর তিনি এবার চান এই প্রক্রিয়াতেই ‘ইসলামিক ল’ বা মহিলা-বিরোধী শরিয়া আইনও তোলার ব্যবস্থা করা হোক।

বরাবরই তাঁর মন্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। কিন্তু নিজের মনের ভাব ব্যক্ত করতে কখনও পিছপা হন না বাংলাদেশি লেখিকা। তা সে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে সুর চড়ানো হোক কিংবা কাশ্মীর ইস্যু। নির্ভয়ে সোজা-সাপটা কথা বলতেই ভালবাসেন তিনি। সম্প্রতি তিন তালাক বিল পাশ হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় তার প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছিল তসলিমাকে। এবার মুসলিম মহিলাদের উপর হওয়া অত্যাচারের বিরুদ্ধে নতুন করে রুখে দাঁড়ালেন তিনি। লেখিকা চান, যে পদ্ধতিতে কেন্দ্র কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ করেছে, সেই পদ্ধতি প্রয়োগ করেই এবার ইসলামিক আইন তুলে দেওয়া হোক। টুইটারে তিনি লিখেছেন, “৩৭০ ধারার মতো অস্থায়ী আইন উঠে যাওয়ারই ছিল। শরিয়া আইন বা ইসলামিক আইনও তুলে দেওয়া উচিত। যে প্রক্রিয়ায় ৩৭০ ধারার বিলুপ্তি সম্ভব হয়েছে তা মহিলা-বিরোধী শারিয়া আইন সরানোর জন্যও প্রয়োজন। প্রত্যেকের জন্য সমান আইন হওয়া জরুরি।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: বসছে নতুন লাইন, এবার ১২ ঘণ্টায় হাওড়া থেকে দিল্লি পৌঁছবে রাজধানী এক্সপ্রেস]

কী এই শরিয়া আইন? মুসলিম পার্সোনাল ল অ্যাপ্লিকেশন আইন, ১৯৩৭-কেই বোঝাতে চেয়েছেন তসলিমা। বিয়ে থেকে শুরু করে একাধিক সামাজিক বিষয়ে এই আইনই মেনে চলে মুসলিম সম্প্রদায়। তবে যাঁরা স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্ট, ১৯৫৪-র নিয়মে বিয়ে করেছেন, তাঁরা এই আইনের আওতায় পড়েন না। তসলিমা চান, ধর্মের নামে একই দেশে যেন ভিন্ন আইন না থাকে। শরিয়া আইন তুলে দিয়ে গোটা দেশের জন্য একটিই আইন বলবৎ হওয়া উচিত বলেই মত তাঁর। যদিও লেখিকার এই মন্তব্যেরও বিরোধিতা করেছেন কট্টরপন্থীরা। আবার অনেকে তসলিমার পাশে দাঁড়িয়ে আশা প্রকাশ করেছেন, মোদি সরকার নিশ্চয়ই এমন আইন প্রণয়ন করবে।

[আরও পড়ুন: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস! নোবেলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ কিশোরীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.