Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Khel Khel Mein Review

হিটের খরা কাটাতে কমেডির দ্বারস্থ অক্ষয়, কেমন হল ‘খেল খেল মে’? পড়ুন রিভিউ

ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন তাপসী পান্নু, বাণী কাপুর, ফরদিন খান, এম্মি ভির্ক, আদিত্য শীল, প্রজ্ঞা জয়সওয়াল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৪, ১৮:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৪, ১৮:৩১

options
link
হিটের খরা কাটাতে কমেডির দ্বারস্থ অক্ষয়, কেমন হল ‘খেল খেল মে’? পড়ুন রিভিউ zoom

সুপর্ণা মজুমদার: খেলা হবে? হ্যাঁ, হবে। এই বলেই ‘খেল খেল মে’ শুরু করেছিলেন অক্ষয় কুমার, তাপসী পান্নু, বাণী কাপুর, ফরদিন খান, এম্মি ভির্ক, আদিত্য শীল, প্রজ্ঞা জয়সওয়াল। তার পর ঘটনার ঘনঘটা। সেই ঘটনা সাজিয়েই দর্শকদের সামনে পরিবেশন করেছেন পরিচালক মুদাসসার আজিজ। স্বাধীনতা দিবসেই মুক্তি পেয়েছে তাঁর নতুন ছবি। এই ছবিটি অক্ষয়ের সাফল্যের খরা কাটাতে পারবে? তা বক্স অফিস রিপোর্টে জানা যাবে। তবে অনেকদিন বাদে কোনও ছবিতে ‘খিলাড়ি’ অক্ষয়ের সামান্য ঝলক দেখা গেল।

Khel-Khel-Mein-inside

Advertisement

ইটালিয়ান কমেডি ড্রামা ‘পারফেক্ট স্ট্রেঞ্জার্স’ অবলম্বনে ‘খেল খেল মে’ ছবি তৈরি করেছেন পরিচালক মুদাসসার আজিজ। ছবির গল্প চার বন্ধু ও তাঁদের স্ত্রীদের নিয়ে। এক রাতেই ঘটে যাবতীয় ঘটনা। স্ত্রী ভর্তিকার (বাণী কাপুর) সঙ্গে বিচ্ছেদের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ঋষভ (অক্ষয় কুমার)। কিন্তু তিন মাস নিজেদের সময় দিয়েছে তাঁরা। এমন পরিস্থিতেই ভর্তিকার বোন রাধিকার বিয়েতে যায় সে। যায় ঋষভের তিন বন্ধু (কেউ ভাতৃসম) কবীর (ফরদিন খান), সমর (আদিত্য শীল), হরপ্রীত সিং (এম্মি ভির্ক)। সমরের স্ত্রী ন্যায়না (প্রজ্ঞা জয়সওয়াল) আর হরপ্রীত সিংয়ের স্ত্রী হরপ্রীত কউর (তাপসী পান্নু)।

[আরও পড়ুন: শার্লক হোমস যদি বাঙালি হতেন, কেমন হত? ‘শেখর হোম’ সিরিজে দেখালেন সৃজিত]

বিয়ের আগের রাতে পার্টির আয়োজন হয়। রাত বাড়তেই ঋষভের রুমে আড্ডা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সকলে। কথায় কথায় এক খেলার প্রসঙ্গ তোলে ভর্তিকা। রাত কাটা পর্যন্ত সবার ফোন হবে পাবলিক। কোনও লক থাকবে না, থাকবে না কোনও সিক্রেট। ফোন এলে স্পিকারে দেওয়া হবে। আর মেসেজ বা মেল এলে তা সবাইকে জানানো হবে। শুরু হয়ে যায় সত্যি-মিথ্যের খেলা। এই খেলাতেই একের পর এক সিক্রেট ফাঁস হতে থাকে।

গল্পের শুরুতেই অক্ষয় ও চিত্রাঙ্গদা (ক্যামিও চরিত্রে) জুটির স্মৃতি ফিরিয়েছেন পরিচালক। তার পর আসল ঘটনা শুরু হওয়ার আগে বেশ খানিকটা পরে। এতটা দেরি না করলেও চলত। প্রথমার্ধে গল্পের গতি খানিক কম। দ্বিতীয়র্ধে সেই খামতি পূরণ হয়েছে। ঘটনার এই ঘনঘটায় সামান্য হলেও পুরনো অক্ষয় কুমারকে (Akshay Kumar) বহুদিন বাদে পাওয়া গিয়েছে। এর পর যদি কারও কথা বলতে হয় তাহলে তিনি তাপসী পান্নু (Taapsee Pannu)। এ ছবিতে তাপসী পার্শ্ব চরিত্র হয়েও স্বমহিমায় উজ্জ্বল। ফরদিন খান সমকামী চরিত্রের যন্ত্রণা ফুটিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। এম্মি ও আদিত্যর ঝগড়ার দৃশ্য সাবলীল। তবে আদিত্য ও প্রজ্ঞার দৃশ্যগুলো বড় দুর্বল। কমেডি ও ড্রামার মধ্যে আরও একটু ভারসাম্য প্রয়োজন ছিল। তবেই ‘খেল খেল মে’র মজা পাওয়া যেত।

ছবি – খেল খেল মে
অভিনয়ে – অক্ষয় কুমার, তাপসী পান্নু, ফরদিন খান, এম্মি ভির্ক, আদিত্য শীল, প্রজ্ঞা জয়সওয়াল
পরিচালনায় – মুদাসসার আজিজ

[আরও পড়ুন: আর জি করের মৃত চিকিৎসক আর বাবাকে জাতীয় পুরস্কার উৎসর্গ সোমনাথ কুণ্ডুর, জানালেন অনুভূতি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.