৭ মাঘ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২১ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

‘পতি-পত্নী’র জীবনের রোম্যান্স-রসায়ন, টক-ঝাল-মিষ্টি সম্পর্কের মাঝে তিন নম্বর ব্যক্তির প্রবেশ, এককথায় ‘পরকীয়া’র গল্প ‘পতি পত্নী অউর উয়ো’। কেমন হল? লিখছেন সন্দীপ্তা ভঞ্জ   

ছবির নামপতি পত্নী অউর উয়ো

অভিনয়ে–  কার্তিক আরিয়ান, ভূমি পেড়নেকর, অনন্যা পাণ্ডে, রাজেশ শর্মা

পরিচালক – মুদাসসার আজিজ

‘পতি পত্নী অউর উয়ো…’ শুনলে প্রথমেই এই ‘উয়ো’ অর্থাৎ তৃতীয় ফ্যাক্টরটি স্ফুলিঙ্গের মতো মজ্জায় জ্বলে ওঠে। এক গোবেচারা স্বামী, সংসারের যাঁতাকলে পিষতে থাকা স্ত্রী এবং লাস্যময়ী এক আধুনিকা। তারপরের চিত্রটা বোধহয় অল্প বিস্তর আন্দাজ করাই যায়। দাম্পত্য জীবনের রোম্যান্স-রসায়ন, খুনসুঁটি, টক-ঝাল-মিষ্টি সম্পর্কের মধ্যে এই তৃতীয় ফ্যাক্টরটাই তখন ‘তড়কা’ হয়ে দাঁড়ায়। এই গল্পও সেরকম। তবে খুব সুন্দরভাবে কৌতুক মোড়কে বাস্তবচিত্র তুলে ধরেছেন পরিচালক মুদাসসার আজিজ।

চিন্টু ত্যাগী (কার্তিক আরিয়ান), আত্মবিশ্বাসহীন এক ‘ক্যাসানোভা’, পেশায় যিনি সরকারি চাকুরে। বিয়ের আগে সম্পর্ক বলতে দেড় মাসের এক প্রেম। মধ্যবিত্ত পরিস্থিতির চাপে মা-বাবার দেখা পাত্রী বেদিকা পাত্রীর সঙ্গে বিয়ে করে ফেলেন। বেদিকা আধুনিকমনস্কা, স্বাধীনচেতা, কাজ-সংসার সামলে শুধু দাম্পত্যের মুচমুচে রোম্যান্সটাই তাঁর জীবনে নেতিয়ে গিয়েছে।

‘পরকীয়া’ বর্তমানে প্রায় আম-সমস্যা। স্বামী-স্ত্রী’র ব্যস্ত জীবনের ফাঁক গলে, দাম্পত্যে কখন যে ‘তৃতীয়’ জনের প্রবেশ ঘটবে, তা ঠাহর করা দায়! চিন্টুর ‘ফ্যান্টাসি’ তপস্যা। তাঁর মুষড়ে যাওয়া জীবনে একরাশ খোলা দমকা হাওয়ার মতো ঢুকে পড়ে। যে কিনা বাবা-মা’র বাধ্য সন্তান, জীবনে স্ত্রী ছাড়া এত দিন কোনও সঙ্গ লাভ করার সুযোগ হয়নি। তাঁর জীবনেই তপস্যা ওরফে অনন্যা পাণ্ডে যেন তড়িৎ খেলিয়ে দেয়। তপস্যা ম্যাজিকে মজে চিন্টু তাঁর স্ত্রীয়ের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করে। আশ্রয় নেয় মিথ্যের। চলতি জীবনে আমরা সবসময়েই বলে থাকি, ডাল-ভাত মুখে না রুচলে ‘বিরিয়ানি’ তো আছেই। কিন্তু রোজকার মেনুতে ‘বিরিয়ানি’ লেহন! ও তো বদহজমকে নিমন্ত্রণপত্র দেওয়ার সমান। ‘পতি পত্নী অউর উয়ো’ সেই ‘আম’ গল্পকেই তুলে ধরেছে।  

এই ছবির সেরা আবিষ্কার অনন্যা পাণ্ডে। এই মেয়ে যে বলিউডে লম্বা দৌঁড়ের ঘোড়া, তা দ্বিতীয় ছবিতেই বুঝিয়ে দিয়েছেন চাঙ্কিকন্যা অনন্যা পাণ্ডে। মুচমুচে সংলাপ। চিত্রনাট্যে কমিক এলিমেন্টের প্রয়োগ বেশ প্রশংসনীয়। ভূমি পেড়নেকরও স্ত্রী বেদিকার চরিত্রে সাবলীল। বেদিকার চরিত্র ‘তনু ওয়েডস মনু’র কঙ্গনার কথা মনে করিয়ে দিল। চিন্টু ত্যাগীর চরিত্রে কার্তিক আরিয়ানের অভিনয় কোথাও কোথাও অতিরঞ্জিত মনে হল। তবে গল্প, ভালো চিত্রনাট্যের জেরে আপানার সপ্তাহান্তের ‘সোডা-লিমকা’ হতেই পারে। ছবি দেখতে একঘেয়ে মনে হবে না।

[আরও পড়ুন: পদ্মাপারের প্রেমিকা মিথিলার সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন সৃজিত, দেখুন এক্সক্লুসিভ ছবি]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং