Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

ম্যাচ গড়াপেটায় যুক্ত ছিলেন শামি? তদন্ত শুরু করল বিসিসিআই

মূলত তিনটি বিষয় তদন্তের দায়িত্ব পড়েছে দুর্নীতি দমন শাখার উপর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০১৯, ১৬:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০১৯, ১৬:৪২

options
link
ম্যাচ গড়াপেটায় যুক্ত ছিলেন শামি? তদন্ত শুরু করল বিসিসিআই zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুধু বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক নয়, মহম্মদ শামির বিরুদ্ধে পরোক্ষভাবে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগও তুলেছিলেন স্ত্রী হাসিন জাহান। যে বিস্ফোরক অভিযোগে তোলপাড় হয়েছে গোটা ক্রিকেট দুনিয়া। হাসিনের অভিযোগ আদৌ সত্যি কিনা, এবার সে নিয়েই তদন্ত শুরু করল বিসিসিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখা।

শামি ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে পরকীয়া, শারীরিক অত্যাচার এমনকী ধর্ষণেরও অভিযোগ তুলেছেন হাসিন। যার জেরে ভারতীয় পেসারের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অভিযোগের পাশাপাশি হাসিন জানিয়েছিলেন, আলিশবা নামের এক পাক মহিলার কাছ থেকে টাকা নিতেন শামি। ইংল্যান্ডের ব্যবসায়ী মহম্মদ ভাইয়ের নির্দেশেই নাকি ওই টাকা নিয়েছিলেন তিনি। ঠিক কেন অর্থ নিয়েছিলেন শামি, তা খতিয়ে দেখার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের কাছে আরজিও জানিয়েছিলেন হাসিন। শুধু তাই নয়, চলতি বছরই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়েও পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন বলে দাবি করেন ভারতীয় বোলারের স্ত্রী। এরপর কলকাতা পুলিশ চিঠি পাঠায় বিসিসিআইকে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে শামির খুঁটিনাটি জানতে চাওয়া হয়। এবার ভারতীয় পেসারের বিরুদ্ধে ওঠা গড়াপেটার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করল বিসিসিআই দুর্নীতি দমন শাখা।

Advertisement

[সৃঞ্জয়-দেবাশিস ক্লাবে ফিরুক, আলোচনায় ফয়সালা চাইছেন মোহনবাগান সচিব]

সুপ্রিম কোর্টের নিয়োগ করা বোর্ডের প্রশাসনিক কমিটিই (সিওএ) দুর্নীতি দমন শাখার প্রধান নীরজ কুমারকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে আদৌ কি শামি পাক মহিলার থেকে অর্থ নিয়েছিলেন? নিয়ে থাকলেও তার সঙ্গে ম্যাচ গড়াপেটার কোনও যোগ আছে কিনা। খতিয়ে দেখা হবে হাসিন ও শামির ফোন কলের অডিও রেকর্ডিংও। একাধিক অভিযোগ জর্জরিত শামি বোর্ডের চুক্তির তালিকা থেকে গত সপ্তাহেই বাদ পড়েছেন। সেই সমস্যা যাতে দ্রুত মেটানো সম্ভব হয়, তার জন্য আগামী সাতদিনের মধ্যেই নীরজ কুমারকে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সিওএ।

মূলত তিনটি বিষয় তদন্তের দায়িত্ব পড়েছে দুর্নীতি দমন শাখার উপর। ১. মহম্মদ ভাই ও আলিশবা আসলে কারা। তাঁদের পরিচয় কী। ২. মহম্মদ ভাইয়ের নির্দেশে শামি সত্যিই আলিশবার থেকে কোনও অর্থ নিয়েছিলেন কিনা। ৩. নিয়ে থাকলে তা কেন নিয়েছিলেন শামি। তবে শামির নিজের ও বিসিসিআইয়ের উপর আস্থা রয়েছে। তিনি আগেই বলেছিলেন, এমন কোনও ভুল কাজ করার আগে তিনি মরে যেতেও দ্বিধা করবেন না।

[থিম সংয়ের মুক্তি দিয়েই আইপিএল-এর ঢাকে কাঠি]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.