Advertisement
Advertisement

জুলফিকর ও ব্যোমকেশের লড়াইয়ে এগিয়ে যিশু

ব্যোমকেশ এবং জুলফিকর–এই দুই ছবিতেই তিনি উজ্জ্বল৷

Jishu Sengupta steals the show of tollywood during the battle of Zulfiqar and Byomkesh
Published by: Sangbad Pratidin Digital
  • Posted:October 8, 2016 12:55 pm
  • Updated:August 6, 2021 6:25 pm

বিদিশা চট্টোপাধ্যায়: পুজোয় এবার থিম নয়, ছবির লড়াই৷ ছ’-ছয়টা ছবি মুক্তি পেলেও আসলে ঠান্ডা যুদ্ধটা নাকি ‘ব্যোমকেশ’ ও ‘জুলফিকর’-এর মধ্যে৷ যদিও দৌড়ে আছে মেনস্ট্রিম ছবি ‘অভিমান’ এবং ‘গ্যাংস্টার’৷ কিন্তু অন্য ধারার ছবির লড়াইয়ে প্রতিযোগী এই দুই৷ সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘জুলফিকর’ এবং অঞ্জন দত্ত পরিচালিত ‘ব্যোমকেশ ও চিড়িয়াখানা’-র প্রিমিয়ারে দর্শক ভাগ হয়ে গেলেও ‘জুলফিকর’-এর পাল্লা ভারী ছিল৷

এবার এগজিট পোল কী বলছে! সাধারণত প্রিমিয়ার-এর ফিডব্যাকের ভিত্তিতে ছবির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যায় না৷ কিন্তু হাওয়া কোন দিকে সেটা টের পাওয়া যায়৷

Advertisement

হাওয়া বলছে ‘জুলফিকর’-এর ভায়োলেন্স-এ দর্শক গুলিবিদ্ধ৷ আবার শোনা যাচ্ছে, বাংলা ছবিতে এত উচ্চমানের অ্যাকশন এবং সিনেমাটোগ্রাফি এর আগে চোখে পড়েনি৷ সবকিছু ছাপিয়ে বারবার উঠে এসেছে দেব, পরমব্রত এবং যিশু সেনগুপ্তর নাম৷ সৃজিতের হাত ধরে নাকি দেবের পুনর্জন্ম৷ ‘দেব ইমোট করতে পারে সৃজিত মুখোপাধ্যায় না দেখালে জানতাম না’–এমন উক্তি শোনা যাচ্ছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে৷ কিন্তু ওভারঅল রেজাল্ট? কী বলছে মার্কশিট? নোটিস বোর্ড-এ সেই রেজাল্ট উঠবে সামনের শুক্রবার৷ কিন্ত্ত অনেকেই বলছেন, সৃজিত হতাশ করেছেন৷ শেক্সপিয়রকে অন্ধকার জগতে টেনে নিয়ে গিয়ে গল্পের বাঁধুনি ধরে রাখতে পারেননি৷ পুজোর মরশুমে এই ছবি পাবলিক না-ও খেতে পারে–এমন আশঙ্কা গুনগুন করছে চারিদিকে৷

Advertisement

অঞ্জন দত্ত’র ‘ব্যোমকেশ ও চিড়িয়াখানা’ও সাহিত্যনির্ভর ছবি৷ যদিও একটা নাটক ও অন্যটা উপন্যাস৷ দু’টোর ফরম্যাট আলাদা৷ অঞ্জন দত্ত স্ট্রেট ব্যাটে খেলেছেন৷ শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পকে খুব বেশি বদলে ফ্যালেননি৷ আর বাঙালির কাছে ব্যোমকেশ-এর বিনোদন ভ্যালু নেহাত কম নয়৷ ‘চিড়িয়াখানা’ গল্পটার টান আর বাঙালি সত্যসন্ধানীর প্রতি আকর্ষণ পুজোর মরশুমে একটু বেশি এমনটাই মনে করা হচেছ৷ ফিল গুড ফ্যাক্টরে বাঙালির মন ভেজে অনেক বেশি৷ তাই ‘জুলফিকর’-এর চেয়ে ‘ব্যোমকেশ ও চিড়িয়াখানা’ কাটবে বেশি–এমনটাই মনে করছে হল- ফেরত দর্শক৷ কিন্তু আসল কথাটা অন্য৷ সৃজিতও নয়, অঞ্জন দত্তও নয়, আলোটা বোধহয় কেড়ে নিলেন যিশু সেনগুপ্ত৷ ব্যোমকেশ এবং জুলফিকর–এই দুই ছবিতেই তিনি উজ্জ্বল৷ সেই সঙ্গে আলোচনায় উঠে এলেন দেব৷ কথা বলে, রোম্যান্স করে, অ্যাকশন করে আম পাবলিকের মন জয় করলেও, এবার সমালোচকদেরও অবাক করে দিলেন দেব৷ এবং এদের দু’জনের নেপথ্যে রয়েছে, পরিচালক অঞ্জন দত্ত ও সৃজিত মুখোপাধ্যায়৷ এবার পুজো কার ভাল কাটবে, সেটাই দেখার৷

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ