BREAKING NEWS

২৮ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডাক পেলেন বঙ্গতনয়া মধুরা, কেন জানেন?

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: March 24, 2019 4:47 pm|    Updated: March 24, 2019 4:47 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুক্রবার রাতে একটি ইমেল পাওয়ার পর থেকে মেয়ের খুশি আর ধরে না। মধুরা আপাতত সপ্তম স্বর্গে। আর হবে নাই বা কেন! কান চলচ্চিত্র উৎসবের বিভাগের প্যারী অ্যাঞ্জিনিয়াক্স এক্সিলেন্স-এ এবছরের মনোনয়নের তালিকায় নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ২০১৯-এর অ্যাঞ্জিনিয়াক্স স্পেশ্যাল এনকারেজমেন্ট-হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই প্রথম কোনও ভারতীয় চিত্রগ্রাহক কান চলচ্চিত্র উৎসবের এই বিশেষ বিভাগের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

[আরও পড়ুন: ফিল্মফেয়ারে বাজিমাত করল কম বাজেটের ছবিই, রইল সম্পূর্ণ তালিকা]

কলকাতার মেয়ে মধুরা। মধুরা পালিত। বয়স ২৮। সিনেম্যাটোগ্রাফি তাঁর পেশা ও নেশা দুই-ই। আর মধুরার এই প্যাশনই তাঁকে এবার জায়গা করে দিল কানের মঞ্চে। এতে এই বঙ্গতনয়া যে যারপরনাই খুশি, এর প্রমাণ মিলেছে তার গলার স্বরেই। “ভীষণ ভাল লাগছে। নিঃসন্দেহে একটা অন্যরকম অনুভূতি! আমি তো ভাবতেই পারছি না। কারণ, আমার কোনও ধারণাই ছিল না যে এরকম একটা প্রেস্টিজিয়াস অ্যাওয়ার্ডের জন্য আমাকে বেছে নেওয়া হতে পারে! আমি ইন্ডিয়ান উইমেন সিনেম্যাটোগ্রাফারস কালেকক্টিভ-এর সদস্য। অন্যান্য দেশের চিত্রগ্রাহকদের সঙ্গেও আমাদের যোগাযোগ রয়েছে এই সূত্রে। ওরা সেখান থেকেই আমার কথা জানতে পেরে এবং আমার কাজ দেখে আমাকে বেছে নিয়েছেন”- এমনটাই জানান উচ্ছ্বসিত মধুরা।

‘দ্য পেপার বয়’, ‘দ্য ওয়াচমেকার’, ‘দ্য গার্ল অ্যাক্রোস দ্য স্ট্রিম’ এবং ‘মিট সহি’-এর মতো একাধিক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ছবির ক্যামেরার নেপথ্যে ছিলেন মধুরা পালিত। কানের মঞ্চে বিখ্যাত চিত্রগ্রাহকদের লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কারে পুরস্কৃত করার পাশাপাশি, গত বছরই কান উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে নবাগতদের উৎসাহ জোগানোর জন্য চালু হয়েছে নতুন বিভাগ- অ্যাঞ্জিনিয়াক্স স্পেশ্যাল এনকারেজমেন্ট। মে মাসের ২৪ তারিখেই মধুরার হাতে তুলে দেওয়া হবে এই পুরস্কার। গত বছর সিসিলি ঝ্যাং নামে চিনের এক চিত্রগ্রাহক এই পুরস্কার পেয়েছিলেন। আর এবার দ্বিতীয় বছরে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া কোনও ভারতীয়ের হাতে।

[আরও পড়ুন: বাঘা-হীন গুপীর গল্প নিয়ে ছোটপর্দার ছবি ‘গুপীগাএন’, মুখ্য চরিত্রে ঋতব্রত-সব্যসাচী]

“সৃজনশীল ব্যক্তি হিসেবে আমরা সবসময়েই চেষ্টা করি আমাদের কাজকে যেন গোটা বিশ্বের মঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। কিংবা আন্তর্জাতিক মানের কাজ করার জন্য প্রতিনিয়ত নিজেদের কাজেও শাণ দিতে হয়। তাই আন্তর্জাতিক প্রশংসা বা পুরস্কার দুটোই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। আর এগুলো কোথাও গিয়ে ভবিষ্যতে আরও ভাল কাজ করার খিদেটাও বাড়িয়ে দেয়,” জানান মধুরা। যিনি খুব শিগগিরই কানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে চলেছেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement