Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিষিদ্ধ নয় ‘মার্শাল’, বাক স্বাধীনতার পক্ষেই রায় আদালতের

'দেশে কতজন অপুষ্টিতে ভুগছে জানেন?', আবেদনকারীকে প্রশ্ন আদালতের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৭, ১৫:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৭, ১৫:৫৬

options
link
নিষিদ্ধ নয় ‘মার্শাল’, বাক স্বাধীনতার পক্ষেই রায় আদালতের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে কতজন অপুষ্টিকে ভুগছে জানেন? বিরোধী নেতারা নোট বাতিলের বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছেন, প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কি মামলা দায়ের করবেন? দুই বিচারকের চোখা প্রশ্নের মুখে থতমত খেয়ে গেলেন আবেদনকারী। তামিল ছবি ‘মার্শাল’ নিষিদ্ধ করার দাবিতে মাদ্রাজ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক আইনজীবী। কিন্তু এ যাত্রা মুখ পুড়ল তাঁর। নিষিদ্ধ হওয়া তো দূরের কথা, উলটে পালটা প্রশ্নে আবেদনকারীদের তুলোধোনা করল আদালত।

মোদির মিমিক্রিতে না চ্যানেল কর্তৃপক্ষের, ক্ষুব্ধ কমেডিয়ান ]

Advertisement

ছবিটিতে জিএসটি ও ডিজিটাল ইন্ডিয়া নিয়ে কিছু বক্তব্য পেশ করা হয়েছিল। যা মনঃপুত হয়নি বিজেপি নেতাদের। শুরু হয় প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এমনকী ছবির প্রযোজক অভিনেতা বিজয়ের সংস্থায় কাকতালীয়ভাবে ঠিক এর পরেই আয়কর হানাও হয়। এদিকে মার্শালের সেন্সর সার্টিফিকেট ফিরিয়ে নিয়ে নিষিদ্ধ করার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আবেদনকারী। সে দাবি খারিজ করে দিল মাদ্রাজ হাই কোর্টের দুই বিচারপতির এক বেঞ্চ। বিচারকরা জানান, কোনও সুস্থ ও পরিণত গণতান্ত্রিক দেশে সংখ্যালঘু স্বরকে কখনও দমিয়ে রাখা যায় না। সুতরাং যদি কেউ কোনও কিছুর বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করেন, তবে তা করতে দেওয়া উচিত। আবেদনকারীর পক্ষে জানানো হয়, ছবিতে জিএসটি ও ডিজিটাল ইন্ডিয়াকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে তাতে ভুল ধারণা ছড়াবে দর্শকদের মধ্যে। আদালতের পালটা যুক্তি, সেটা দর্শকদেরই ঠিক করতে দেওয়া হোক। কোনটা ঠিক, ভুল তা বিচার করার জন্য যথেষ্ট পরিণত বুদ্ধি আছে প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রাপ্তমনস্ক দর্শকের। তার জন্য আগ বাড়িয়ে কোনও কিছু নিষিদ্ধ করার দরকার নেই।

আদালতের কটাক্ষ, সামাজিক প্রয়োজন নিয়ে যদি আবেদনকারীর এতই মাথাব্যথা, তাহলে ছবির যে দৃশ্যে নেশা করা দেখানো হয়, প্রতিবন্ধীদের খাটো করে দেখানো হয়, তা নিয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হননি কেন? এর উত্তর আর ছিল না আবেদনকারীর কাছে। আবেদনের পিছনে যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল তা প্রায় ওপেন সিক্রেট হয়ে পড়ে বিচারকদের কড়া প্রশ্নের সামনে। যে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল তার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠে যায়। আদালতের এই কঠোর অবস্থান দেশের বাক স্বাধীনতার পক্ষে যেমন সুস্থ লক্ষণ, তেমন শাসকদল বিজেপির মতাদর্শের কাছে ধাক্কা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

শুধু শরীরের বিচারে ‘সেক্সি’ হয় না কেউ, কেন বললেন এই অভিনেত্রী? ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.