Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬

শুধু মণ্ডপে নয়, পুজোয় ছোটদের দেখিয়ে আনতে পারেন ‘মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি’

দেখার আগে জেনে নিন কেমন হল সিনেমা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৮, ১৯:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৮, ১৯:৩৬

options
link
শুধু মণ্ডপে নয়, পুজোয় ছোটদের দেখিয়ে আনতে পারেন ‘মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি’ zoom
Advertisement

চারুবাক: সত্যিই অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের পক্ষে কাজটা কঠিন ছিল। পাঠক সফল সাহিত্যকে দর্শক সফল সিনেমা বানানো সত্যিই মানসিক শ্রমসাধ্য। বিশেষ করে সেই সাহিত্য যদি ছোটদের জন্য রচিত হয়ে থাকে। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের শিশু সাহিত্য রচনা পর্বের প্রথম দিকে লেখা ‘মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি’।

হিরণগড় নামে এক কাল্পনিক রাজ্যের তরুণ রাজপুত্র কন্দর্পনারায়ণ (আবির) নিখোঁজ হয়েছে। তা নিয়ে রাজা রানি মনমরা হলেও বাড়ির বাকিদের নিয়েই মূল রচনাটি। অগুনতি চরিত্র, বিচিত্র সব স্বভাব, অভ্যাস, পেশা তাদের। আছে ভজবাজারু (রজতাভ), গৃহকর্তা উকিল, ডাকাত সর্দার (শিলাজিৎ), গোয়েন্দা বরদাচরণ (ব্রাত্য বসু), গায়ক কাকা (অম্বরীশ), গোবর জলের ছড়া দেওয়া পিসিমা, ভীতু পুলিশ অফিসার (সুমিত), গোলক স্যার (মনোজ) এবং অবশ্যই আছে দুই ভাই মনোজ ও সরোজ (সোহম ও পূরব)। গল্পটা বলা হচ্ছে মনোজের বয়ানে। তবে অনিন্দ্যর আসল কেরামতি হল লেখক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়কে দিয়ে ছবির মুখবন্ধ ও উপসংহার করিয়ে দেওয়া।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পর্দায় কতটা জীবন্ত ‘এক যে ছিল রাজা’-র ভাওয়াল সন্ন্যাসী? ]

ওই বাড়িতে গুপ্তধন লুকোন। সেই গুপ্তধনের খোঁজে বাড়িতে আসে ডাকাত দল। একা নয়। ভজবাজারু, গোয়েন্দা বরদাচরণ, পুলিশ অফিসার সবাই থাকেন। তারা আসে রীতিমতো গান গাইতে গাইতে। আসলে গল্পের মজার উপকরণগুলো চিত্রনাট্যে শুধু আবিকৃতই রাখেনি অনিন্দ্য, সংলাপেও সুন্দর মজা মিশিয়ে দিয়েছেন। হলের মধ্যে ছোট ছোট দর্শকের হাসি ও উচ্ছ্বাসের ধারাবাহিক শব্দ জানিয়ে দিচ্ছিল পাখির চোখে তির বিঁধতে পেরেছে এই ছবি। মূল রচনায় আজকের সময় নিয়ে স্যাটায়ার ছিল ঠিকই। কিন্তু সেগুলোকে আরও সাম্প্রতিক ও সমসাময়িক করে তুলেছেন পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার। এমনকী ডিমানিটাইজেশনের ব্যাপারটাও ব্যঙ্গ ও মজা মিশিয়ে ছোটদের মতো করেই মিশিয়ে দিয়েছেন। নানা ঘটনার উপস্থাপনায় পরিবেশ সৃজনের মজারু কৌশলে ‘মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি’ ছোট-বড় সব বয়সিদের কাছেই উপভোগ। অনিন্দ্যর ছবি, গান থাকবে না, তা তো হয় না। তবে পুরোন গানের নির্বাচনে এবং নতুন গানের রচনাতেও তাঁর নিজস্ব সৃষ্টি ও স্যাটায়ার মেশানো ঘরানার ছাপ স্পষ্ট। সম্পাদনার কাজটি এক কথায় চমৎকার। সুপ্রিয় দত্তর ক্যামেরা ওয়ার্কও প্রশংসার। ছোট্ট কয়েকটি জায়গায় অ্যানিমেশনের ব্যবহার ভাল। আর শিল্পীদের অভিনয়? সেখানেও নিজেদের স্বাভাবিক অভিনয় করেছেন প্রত্যেকেই। সৌমিত্র-সন্ধ্যা, আবির, শিলাজিৎ, মনোজ মিত্র, রজতাভ; কাকে বাজ দেবো! সব্বাই যেন রয়েছেন অদ্ভুত বাড়ির অদ্ভুত সুরের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে।

পুজোয় ফিরল কিশোর আবেগের গপ্পো ‘কিশোর কুমার জুনিয়র’ ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.