Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
CAA নিয়ে মুখ খুললেন রজনীকান্ত

‘মুসলিমদের কোনও ক্ষতি হবে না’, CAA ইস্যুতে কেন্দ্রের পাশে রজনীকান্ত

বহিরাগতদের চিহ্নিত করতে NPR জরুরি, মত থালাইভার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০, ১৩:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০, ১৩:৩৫

options
link
‘মুসলিমদের কোনও ক্ষতি হবে না’, CAA ইস্যুতে কেন্দ্রের পাশে রজনীকান্ত zoom
ফাইল চিত্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্রোতের বিপরীতে গা ভাসালেন থালাইভা!
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনকে(CAA) সমর্থনে মুখ খুললেন দক্ষিণের সুপারস্টার রজনীকান্ত। তাঁর অভিযোগ, CAA নিয়ে আম জনতাকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। এতে ভারতীয় মুসলিমদের আদৌ কোনও ক্ষতি হবে না। থালাইভার কথায়, বহিরাগতদের চিহ্নিত করতে NPR জরুরী। তাঁর এহেন মন্তব্যে রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর মাসে সংসদে CAA বিল পেশ হয়। তারপর থেকেই এই বিতর্কিত বিলের বিরুদ্ধে উত্তাল গোটা দেশ। অভিযোগ, এই আইন কার্যকর হলে দেশের মুসলিমদের ঠাঁই হারাতে হবে। আম জনতার এই অভিযোগ উড়িয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের স্বাক্ষরের পর দেশে CAA কার্যকর হয়েছে। কিন্তু আন্দোলন থামার লক্ষ্মণ নেই। আইন বাতিলের দাবিতে সরব বিশিষ্টজন থেকে পড়ুয়ারা। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তাঁরা। যদিও তাতে কান দিতে নারাজ কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। তাঁদের পালটা দাবি, ভোটে ফায়দা তুলতে আমজনতাকে ভুল বোঝাচ্ছে বিরোধী দলগুলি। এবার কেন্দ্র সরকারের সুরেই সুর মেলালেন দক্ষিণের সুপারস্টার রজনীকান্তও।

[আরও পড়ুন : শিয়রে দিল্লি নির্বাচন, সংসদে রাম মন্দির নির্মাণ ট্রাস্ট তৈরির ঘোষণা মোদির]

বুধবার সংবাদ সংস্থা ANI-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রজনীকান্ত জানান, “CAA নিয়ে দেশের মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। এই আইনে দেশের মুসলিমদের কোনও ক্ষতি হবে না। দেশভাগের সময় এঁরা ভারতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তাঁদের সিদ্ধান্তকে প্রতিটি ভারতীয় সম্মান করেন। তাই CAA’র জন্য দেশের একটি মুসলিমের কোনও ক্ষতি হলে, আমি সবার আগে রুখে দাঁড়াব।” একইসঙ্গে তিনি NPR-এর স্বপক্ষেও সরব হন।

[আরও পড়ুন : ‘আপের সঙ্গে ছেলের কোনও যোগ নেই’, দাবি শাহিনবাগে হামলাকারীর বাবার]

রজনীকান্তের কথায়, “২০১০ সালে কংগ্রেস এটা করেছিল। ২০১৫ সালেও NPR হয়েছিল। দেশের বহিরাগতদের চিহ্নিত করতে এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। আমি বুঝতে পারছি না, এটা নিয়ে কি সমস্যা হয়েছে!”  এই দক্ষিণি সুপারস্টারের আশঙ্কা, রাজনৈতিক নেতারা পড়ুয়াদের ভুল বুঝিয়ে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির কাজে ব্যবহার করছে। তাই দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তাঁর আবেদন, “এই আইনটা সম্পর্কে আগে ভাল করে জানো। আইনটা পড়ো। প্রয়োজনে বাড়ির বড়দের কিংবা অধ্যাপকদের সাহায্য নাও। তারপর না হয় এর বিরোধিতা কর। নয়তো রাজনীতিবিদরা তোমাদের ব্যবহার করে নেবে।”  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.