Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬

সেন্সর বোর্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ, স্মৃতিকে চিঠি রাজ পরিবারের সদস্যের

নাম পালটেও ফাঁড়া কাটছে না পদ্মাবতী ওরফে পদ্মাবত-এর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৯, ১২:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৯, ১২:২৮

options
link
সেন্সর বোর্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ, স্মৃতিকে চিঠি রাজ পরিবারের সদস্যের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাম পালটেও ফাঁড়া কাটছে না পদ্মাবতী ওরফে পদ্মাবত-এর। সেন্সরের ছাড়পত্র মেলার পরও হল ভাঙচুরের হমকি দিয়েছিল কর্ণি সেনা। এবার অসন্তোষ ব্যক্ত করলেন রাজ পরিবারের সদস্য মহেন্দ্র সিং মেবার। সেন্সরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে চিঠি লিখলেন তিনি।

দাউদের চাপে ছাড়পত্র দিয়েছে সেন্সর, সিনেমা হল ভাঙচুরের হুমকি কর্ণি সেনার ]

Advertisement

কী নিয়ে ক্ষোভ? রাজ পরিবারের এই প্রাক্তন প্রধানের বক্তব্য, বিশেষজ্ঞদের ডাকা হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু ছবি লুকিয়ে লুকিয়ে দেখানো হল একদল বিশেষজ্ঞদের। স্পষ্টতই সেন্সর বোর্ডের উদ্দেশ্য ও ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, সেন্সর চাইছিল এ ছবিকে ছাড়পত্র দিতে। যে বিশেষজ্ঞদের ছবি দেখানো হয়েছিল, তাঁদের এই শর্তে রাজিই করানো হয়েছিল বলে অভিযোগ তাঁর, নির্দিষ্ট কিছু অংশ বদল করিয়ে তলে তলে ছবিমুক্তিতেই অন্ধন জুগিয়েছে সেন্সর বোর্ড। এই অভিযোগেই স্মৃতি ইরানি ও রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোরের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। ফলে নতুন করে বিড়ম্বনায় পড়লেন পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনাশালি।

পোশাকের বাহারে স্টাইল স্টেটমেন্টে বছর মাতালেন যে নায়িকারা ]

এর আগে মহেন্দ্র সিং মেবারের ছেলে বিশ্বরাজ সিংও তাঁর ক্ষোভ জানিয়ে সেন্সর প্রধান প্রসূন জোশিকে চিঠি লেখেন। তিনি জানান, যা পরিবর্তন করা হয়েছে তা অনেকটাই বাহ্যিক বা কসমেটিক চেঞ্জ। নাম পালটে বা গানের দৃশ্য বদলে দিয়ে তো মূল ঘটনাটিকে পালটানো যাবে না। তাঁদের এই চিঠির জেরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক যদি হস্তক্ষেপ করে তবে ফের ছবিমুক্তি আটকে যেতে পারে।

OMG! নতুন বছরে ছুটি কাটাতে এখানে যাচ্ছেন রণবীর-দীপিকা! ]

এদিকে কর্ণি সেনাও তাদের বিক্ষোভ চালিয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ডন দাউদ ইব্রাহিমের চাপেই এরকম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে সেন্সর বোর্ড। এ ছবির মুক্তি দেশের পক্ষে মঙ্গলজনক নয়। দেশের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তাই রাজস্থানের যে হলেই ছবি চলবে, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন কর্ণি সেনার প্রেসিডেন্ট সুখদেব সিং গোগামেড়ি। জানানো হয়েছে, যে যে হলে সিনেমা চলবে তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। এবং ছবি মুক্তির জেরে সারা দেশে যদি গোলমাল বাধে তবে তার দায় নিতে হবে সরকারকেই। দাউদের চাপে পড়ে এ ছবিকে ছাড়পত্র দিয়ে হিন্দুত্বকে নষ্ট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ সুখদেবের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.