সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী সবিতা চৌধুরি। বুধবার গভীর রাতে মৃত্যু হয় তাঁর। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার জন্য বেশ কিছুদিন মুম্বইতে ছিলেন। পরে কলকাতায় ফিরে আসেন। শহরেরই এক হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছিল তাঁর। বুধবার রাতে শেষ হয় সেই লড়াই। বাঙালির জন্য অজস্র সুরেলা স্মৃতি রেখে ৭২ বছর বয়সে বিদায় নিলেন কিংবদন্তি সুরকার সলিল চৌধুরির স্ত্রী।
[GST-র প্রভাব থেকে আঞ্চলিক সিনেমাকে বাঁচাতে রাজ্যের নয়া উদ্যোগ]
শোনা যায়, কলকাতায় যখন কেরিয়ার শুরু করেছিলেন খুব ভাল বাংলা জানতেন না। কিন্তু সলিল চৌধুরির তত্ত্বাবধানে অচিরেই সেই বাধা কাটিয়ে ওঠেন সবিতাদেবী। ধীরে ধীরে নিজেও ভালবেসে ফেলেন এই শহরকে, আর তার মিষ্টি ভাষাকে। তারপরই শুরু হয় সলিল-সবিতা যুগলবন্দি। একের পর এক সুর সৃষ্টি করে চলতেন সলিল। তাতে কণ্ঠ দিতেন সবিতা। গান তোলা থেকে প্র্যাকটিস বেশিরভাগই নাকি হত রান্নাঘরে। তারপর ফাইনাল টেক হত স্টুডিওয়। সলিল চৌধুরি হারমোনিয়াম নিয়ে বসে গান আগে ঠিক করতেন। তারপরেই সেই গান রেকর্ড করতেন সবিতা।
ঘরোয়া এই জুটির সৌজন্যেই বাঙালি পেয়েছে সুরের এমন ঝরনা যা চিরকালের সম্পদ হয়ে রয়ে যাবে মনের মণিকোঠায়। ‘মরি হায় গো হায়’, ‘ঘুম আয় ঘুম হায়’, ‘যা রে যা যা মন পাখি’, ‘হলুদ গাঁদার ফুল’- এমন কতই না মণিমুক্ত ছড়ানো রয়েছে সে ভাণ্ডারে। যে স্মৃতি বাঙালির জন্য রেখে ইহজগতকে বিদায় জানালেন সবিতা চৌধুরি। শিল্পীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Saddened at the passing of popular singer Sabita Chowdhury (wife of Salil Chowdhury). My condolences to her family, friends and fans
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 29, 2017
[মন্ত্রী উজ্জ্বলের কলমে বড়পর্দায় ফুটবে বিপ্লবী বসন্ত বিশ্বাসের কাহিনি]
সর্বশেষ খবর
-
এক ব্যক্তির সঙ্গে হোটেলে রাত কাটান! সকালে বন্ধুকে ভিডিও কল করে সেখানেই ‘আত্মহত্যা’ তরুণীর
-
পুজোর আগে কলকাতায় শুরু ৩ দিনের পর্যটন মেলা, উপচে পড়া ভিড়
-
পুরসভার অফিসে বস্তাবন্দি ফর্ম, ডায়মন্ড হারবারে অন্নপূর্ণার টাকা পেলেন না হাজার হাজার মহিলা!
-
আর দাবায়ে রাখা যাবে না! চেনা ফুটবলের সংজ্ঞা বদলেই বিশ্বকাপে ‘দিস টাইম ফর আফ্রিকা’র সুর
-
১২৬ দিন পরে অন্তেষ্ট্যি! কেন খামেনেইয়ের শেষকৃত্য এত দেরিতে? কোথায় ছিল দেহ?