সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “একটাও ভোট আর বিজেপিকে নয়.. স্লোগানে ভারতবাসী.. বদলা চাইছে খুন হওয়া সাংবাদিক, লেখক যত…” এই গান কবীর সুমনের লেখা। গেয়েছেনও তিনিই। প্রতি শব্দে খোঁচা দিয়েছেন দেশের শাসকদলকে। কবীর সুমনের গেরুয়া বিরোধী মনোভাব অবশ্য এর আগেও প্রকাশ পেয়েছে। এর আগেও তিনি বিজেপিকে বিঁধে গান লিখেছেন। আবারও তাঁর নিশানায় বিজেপি। লোকসভা ভোটের মরশুমে এভাবেই জনসাধারণকে আরজি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের পাশে থাকার। আরজি জানিয়েছেন তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার। উল্লেখ্য, বাকি আর দু’ দফা ভোট। ইতিমধ্যেই পঞ্চম দফা ভোটের সাক্ষী থেকেছে ভারতীয় নাগরিক। আর তার মধ্যেই শোনা গেল সঙ্গীতশিল্পী কবীর সুমনের গলায় ‘বদলা চাইছে…।’
[আরও পড়ুন: সুর ছেড়ে দূরে, প্রয়াত বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দী]
তবে, শব্দটা ‘বদলা’, বদল নয়! কারণ, কবীর সুমন নিজেও মনে করেন বদল হয় না, বরং এতে রেগে না গিয়ে গানে এমন সুরই শোনা যায় গায়কের গলায়। তিনি বলেন, “এসব বদল-টদল হয় না… খুব শক্ত ঠ্যাকে। তার চেয়ে রাগের মাথায় বরং দুটো গান শুনিয়ে দেব।” গানের শব্দে খানিক আফরাজুলের স্মৃতিকেও উসকে দিয়েছেন তিনি। হত্যা হওয়া সাংবাদিকদের জন্যও বিচার চেয়েছেন সুমন। তাই গানের কথাতেই জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘এই ভোট হোক এই ভারতের নতুন জন্মতিথি।’
[আরও পড়ুন: রাষ্ট্রব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল নাটক ‘লেফট রাইট লেফট’]
অস্পষ্ট বা ধোঁয়াশা নয়। বরং, সুরে-কথায় দৃপ্ত কণ্ঠে প্রতিবাদী সুর ছেড়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কবীর সুমন। নিজের নতুন গান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি চাই বিজেপি হারুক। শুধু এবার না, হেরেই যাক। আমার গানটা তার পথে একটা যদি হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তাহলে আমার মনে হবে আমি কোনও একটা কাজে লাগতে পারলাম।” দেশে সাম্প্রদায়িক বিভাজন, সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নিয়ে এত তরজার মধ্যেই কবীর সুমনের গান যেন হয়ে উঠতে চায় ‘মানুষ’ পরিচয়ের আইকার্ড, এমনটাই মনে করছেন বিদ্বজনদের একাংশ।
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়