Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘শৈশব ছিল না, আজীবন পারফরম্যান্সের চাপ বয়ে বেড়াতে হয়েছে শ্রীদেবীকে’

আজীবন চাপে ছিলেন? মুখ খুললেন রাম গোপাল, জাভেদ জাফরি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ১২:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ১২:৪৩

options
link
‘শৈশব ছিল না, আজীবন পারফরম্যান্সের চাপ বয়ে বেড়াতে হয়েছে শ্রীদেবীকে’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র চার বছর বয়সে ক্যামেরার মুখোমুখি। তারপর থেকে একের পর এক ছবি। আজীবন পারফর্ম করে যাওয়ার চাপ। আজ ফিকে হয়ে গিয়েছে বলিউডের ‘চাঁদনি’। আর সেই অবসরে এ কথাই মনে করলেন অভিনেতা জাভেদ জাফরি।

 চোখে আলো নেই, তবু শ্রীদেবীর জন্য ঠায় দাঁড়িয়ে এই ব্যক্তি ]

Advertisement

দুর্ঘটনাবশত জলে ডুবে মৃত্যু শ্রীদেবীর। জানিয়েছে ফরেনসিক রিপোর্ট। কিন্তু তারপরও অনেক প্রশ্ন থেকে গিয়েছে। অনেক উত্তর অধরা রয়ে গিয়েছে। থেকে গিয়েছে রহস্য। এবং সেই সঙ্গে অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অনেকে মুখ খুলেছেন। ক্যামেরার সামনে যে শ্রীদেবীকে গোটা দেশ দেখতে অভ্যস্ত, ক্যামেরার পিছনে তিনি একেবারে অন্য মানুষ। সংযত, খানিকটা সংকুচিতও। কথা বলেন খুব কম, ইন্ট্রোভার্ট। সেটাই ছিল তাঁর স্বভাব। কিন্তু শুধুই কি স্বভাবে, নাকি জীবনের শিক্ষাই তাঁকে এমনটা করে তুলেছিল? কথা পেড়েছিলেন পরিচালক রামগোপাল ভার্মা। খুব কাছ থেকে তাঁকে দেখেছিলেন পরিচালক রামু। তিনি জানিয়েছেন, যতদিন শ্রীদেবীর বাবা বেঁচে ছিলেন ততদিন তিনি যেন ছিলেন আকাশে ওড়া পাখির মতো। বাবার মৃত্যুর পর থেকেই যেন সেই পাখিই খাঁচায় বন্দি। প্রচুর উপার্জন করেছেন শ্রীদেবী। সে সময় কালো টাকাতে নায়িকাদের পেমেন্ট দেওয়া হত। তাই শ্রীদেবীর বাবা বিভিন্ন বন্ধুদের কাছে টাকা রাখতেন। কিন্তু তিনি মারা যাওয়ার পরই সেই বন্ধুরা ধোঁকা দেয়। শ্রীদেবীর মায়েরও বিষয়বুদ্ধি ভাল ছিল না। ভুলভাল বিনিয়োগ করেছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর পর থেকেই তাই ক্রমাগত চাপের মুখে পড়েন শ্রীদেবী। যে সময় বনি কাপুরকে তিনি বিয়ে করেন সে সময় তিনি প্রায় কপর্দকশূন্য হয়ে পড়েন।

অর্থাৎ বরাবরের যে চাপ একটা ছিল তা স্পষ্ট হয়েছে রামুর কথাতে। একই মত জাভেজ জাফরিরও। মাইকেল জ্যাকসনের সঙ্গে শ্রীদেবীর চরিত্রের বেশ মিল পেয়েছেন তিনি। যেখানে পারফরর্ম করাই শেষ কথা। যার জন্য বলি দিয়েছেন শৈশবকে। ক্রমাগত নিজের সঙ্গেই চলেছে নিজের প্রতিযোগিতা। ব্যক্তিগত জীবনে যিনি ইন্ট্রোভার্ট, পর্দায় তিনি এতটা উচ্ছ্বল কী করে? হয়তো ওই জীবনটাই তাঁর আসল, যেটা তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনে পাননি, এমনটাই মত অভিনেতার।

আলোচনা থেকেই যাবে। তবে সে সব এখন অতীত। আপাতত মুম্বইয়ের সেলিব্রেশন ক্লাবে শায়িত শ্রীদেবীর মরদেহ। তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হয়েছেন সেলেবরা। ফুল হাতে প্রিয় চাঁদনিকে বিদায় জানাতে কাতারে কাতারে অপেক্ষা করছেন তাঁর অনুগামীরা। সকলেরই ইচ্ছা, একবার শেষ দেখা দেখে নেওয়ার। সত্যিই তো, শ্রীদেবীর থেকে চোখ সরাতে কারই বা আর ইচ্ছা করে!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.