১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ১৮ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝকঝকে পোস্টারে সুন্দরী মহিলার ছবি সাঁটানো। সঙ্গে রয়েছে ফোন নম্বরও। সেই পোস্টার দেখে ফোন নম্বরে ফোন করেছেন বহু কাস্টমার। কিন্তু যার ছবি ও ফোন নম্বর পোস্টারের ব্যবহার করা হয়েছিল, তিনি কোনও দেহব্যবসায়ী নন। টলিউডের অভিনেত্রী। এই নিয়ে সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই অভিনেত্রী। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই এক চিকিৎসক ও তাঁর সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।  

ঘটনাটি মাসখানেক আগের। নাট্যজগতে পায়ের তলার মাটি শক্ত হওয়ার পরই টেলিজগতে এসেছিলেন ওই অভিনেত্রী। সোনারপুরের মালঞ্চ এলাকায় একটি বহুতলে থাকেন তিনি। অভিনেত্রীর অভিযোগ, গত ২৭ আগস্ট তাঁর বন্ধু বারুইপুর স্টেশনে এমন অশ্লীল পোস্টারটি দেখেন। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে ফোন করে বিষয়টি জানান। ২৮ আগস্ট থেকে বাড়তে থাকে ফোন ও এসএমএসের বহর। তাঁর ফেসবুক প্রোফাইল থেকে বিভিন্ন ছবি নিয়ে ওই পোস্টারে ব্যবহার করা হয়েছে বলেই অভিযোগ অভিনেত্রীর। পোস্টারে লেখা রয়েছে, “যৌনতৃপ্তির জন্য এই নম্বরে ফোন করুন।” শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার বিভিন্ন স্টেশনের ওই পোস্টারগুলিতে তাঁকে “কল গার্ল” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

[ আরও পড়ুন: ফের রাণুর কণ্ঠে মাতল নেটদুনিয়া, মুক্তি পেল তাঁর গাওয়া পুজোর থিম সং ]

বিরক্ত হয়ে সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই অভিনেত্রী। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রায় একমাস তদন্তের পর অভিযুক্ত চিকিৎসকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত চিকিৎসকের নাম অরুনাভ পাল। বাড়ি বারুইপুর। জানা গিয়েছে, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে মহিলাদের হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছিল। একসময় ইস্পাত হাসপাতালে কাজ করতেন তিনি। সেখানেও নাকি এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। চিকিৎসকের সঙ্গী শঙ্করনাথ হালদার নামে আরও এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আজ দু’জনকে বারুইপুর আদালতে তোলা হবে।

[ আরও পড়ুন: ‘একজন প্রাপ্তবয়স্কের মতো গ্রেটাও আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়’, সুইডিশ ষোড়শী প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং