Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
কৃষ্ণকলি সিরিয়াল

বাথরুম স্ক্রাবার দিয়ে রোগীর চিকিৎসা! নেটদুনিয়ায় মারাত্মক ট্রোলড ‘কৃষ্ণকলি’ ধারাবাহিক

নেটজনতার নজর কাড়ে ডাক্তারদের হাতের ওই 'বিকট বস্তু'!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২০, ১২:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২০, ১২:০৩

options
link
বাথরুম স্ক্রাবার দিয়ে রোগীর চিকিৎসা! নেটদুনিয়ায় মারাত্মক ট্রোলড ‘কৃষ্ণকলি’ ধারাবাহিক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধুম-তা-না-না-না!! সন্ধে হলেই রিমোট হাতে টিভির সামনে বসে যান বাংলা ধারাবাহিকের দর্শকরা। ধারাবাহিকের গল্পের গরু গাছে উঠলেও, সেটাই গপগপিয়ে গিলছেন। পারিবারিক কাহিনি, অর্ধভৌতিক থেকে পৌরাণিক কাহিনি, সব ধরনের কাহিনি দেখারই সুযোগ মেলে এসব ধারাবাহিকে। তবে, অতিরঞ্জিত ভাবনাই এখন মূল উপকরণ হয়ে উঠেছে এসব ধারাবাহিকের, এমনটাই মত ধারাবাহিক-বিদ্বেষীদের। যার ফলে যাবতীয় ক্ষোভ গিয়ে পড়ে ধারাবাহিকের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের উপর। সোশ্যাল মিডিয়ায় হতে হয় ট্রোলের শিকার। সম্প্রতি, নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ‘কৃষ্ণকলি’ (Krishnakoli) ধারাবাহিকের একটি দৃশ্য। যা আপাতত বর্তমানে নেটিজেনদের খোরাক।

কী এমন দৃশ্য যা নিয়ে নেটদুনিয়ায় এত শোরগোল? আসলে ধারাবাহিকের যে দৃশ্য নিয়ে এত ঠাট্টা, তাতে দেখা গিয়েছে হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুশয্যায় থাকা রোগীকে বাথরুম স্ক্রাবার দিয়ে ইলেকট্রিক শক দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সাধারণত হৃদরোগে আক্রান্ত কোনও রোগীর ক্ষেত্রে যেরকমভাবে শক দেওয়া হয় আর কী! তবে গল্প-দৃশ্য সবই ঠিক ছিল, নেটজনতার নজর কাড়ে ডাক্তারদের হাতের ওই ‘বিকট বস্তু’, যেটা দিয়ে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হচ্ছিল! অতঃপর নেটদুনিয়ায় ভাইরাল ওই দৃশ্য নিয়ে শুরু হয়ে যায় ঠাট্টা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সুশান্তকে নিয়ে কী কথা হয়েছিল মহেশ ও রিয়ার? ফাঁস হল মৃত্যুর আগের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট]

যুগের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দর্শকরা এখন অনেক স্মার্ট! কাজেই এই কীর্তি যে তাঁদের নজর এড়াবে না, তা বলাই যায়! কিন্তু একবার মগজ খাটিয়ে ভাবুন তো, বাস্তবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে যে যন্ত্র দিয়ে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়, তার সঙ্গে কি এর কোনও মিল রয়েছে? আজ্ঞে না! তাই ট্রোলড যে হবেই, এটা ভবিতব্য।

আসলে বাংলা ধারাবাহিকের বিবর্তনের পথ বেশ দীর্ঘ। চ্যানেলগুলির মধ্যে পারস্পরিক প্রতিযোগিতা, আর প্রায় ৩৬৫ দিন টিআরপির দৌড়ে টিকে থাকার লড়াইটা যে বেশ কঠিন , তা বলাই বাহুল্য। দর্শক টানতে যাবতীয় ঝক্কি সামলাতে হয় নির্মাতা-চিত্রনাট্যকারদের। তাই একটি চরিত্রকে ঘিরে গল্প শুরু হলেও টানতে টানতে তা এমন জায়গায় পৌঁছয়, যেখানে চমক ছাড়া দর্শক ধরে রাখার আর কোনও পথ বোধহয় বাকি থাকে না। কিন্তু তাই বলে বাথরুম স্ক্রাবার দিয়ে রোগীকে ইলেকট্রিক শক? এক্কেবারে মানতে নারাজ নেটজনতারা।

[আরও পড়ুন: ‘ছেলেদের অন্তর্বাস দেখা গেলে ইটস কুল! মেয়েদের ব্রা দেখলেই সমস্যা?’, বিস্ফোরক স্বস্তিকা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.