Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬

আমার দুগ্গা: রাতে ঠাকুর পাহারা দেওয়া কে ভুলতে পারে!

রাঘবের নিজের মুখে সে অভিজ্ঞতা শুনতে দেখুন ভিডিও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ১৬:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ১৬:৫০

options
link
আমার দুগ্গা: রাতে ঠাকুর পাহারা দেওয়া কে ভুলতে পারে! zoom
Advertisement

নতুন জামার গন্ধ। পুজোসংখ্যার পাতায় নয়া অভিযান। শরতের নীল-সাদা মেঘের ভেলায় পুজোর ছুটির চিঠি। ছোটবেলার পুজোর গায়ে এরকমই মিঠে স্মৃতির পরত। নস্ট্যালজিয়ার ঝাঁপি খুললেন রাঘব চট্টোপাধ্যায়

আমি নৈহাটির ছেলে। মফস্বল শহর। সেখানে পুজোর আমেজটাই আলাদা। অনেকদিন হল আর সেখানকার পুজো দেখা হয় না। কিন্তু পুজো এলেই ছোটবেলার পুজোর স্মৃতি ফিরে ফিরে আসে। প্যাণ্ডেল তৈরি শুরু হওয়া থেকে আমাদের পুজো শুরু। একদিকে বাঁস বাঁধা হচ্ছে আর ওই স্ট্রাকচার ঘিরে আমাদের খেলা চলত। তখন থেকেই একটা পুজো পুজো ভাব ঘিরে ধরত। একটু যখন বড় হলাম তখন পুজোর সঙ্গে অন্যরকম যোগাযোগ বাড়ল। পুজোর জন্য চাঁদা তুলতে বেরনোয় তখন একটা আলাদা উত্তেজনা ছিল। তারপর ছিল পুজোর রাত্তিরে প্যাণ্ডেল পাহারা দেওয়া, মানে ঠাকুর পাহারা দেওয়া। আর পুজোয় দুষ্টুমি থেকে প্রেম তো ছিল বাঁধা। এখন পুজো নানা জায়গায় কাটে। কখনও দেশেরই অন্য রাজ্যে থাকি। কখনও বা বিদেশে চলে যাই। তবে স্মৃতিতে এই পুজোই ফিরে আসে।

Advertisement

আমার দুগ্গা: মেয়েরা কখন আসবে দেখে সেই সময় মণ্ডপ যেতাম ]

পুজো বললে আর একটা কথা মনে পড়ে, ভাল ভাল গান শোনা। মণ্ডপে পুজোয় প্রকাশিত হওয়া নতুন নতুন গান বাজত। সেই গান শুনে শুনেই নতুন গানকে ভালবাসতে শেখা। এখন পুজো তো অনেক ব্যস্ততায় কাটে। পেশার খাতিরে এখানে ওখানে যেতে হয়। তবে পুজোর ঢাক বাজলেই মনে পড়ে যায় সেই দুষ্টুমি, পিকনিকের স্মৃতিগুলি। মনে হয় সুযোগ পেলেই আবার সেই ছোটবেলার পুজোয় ফিরে যাই।

দেখুন ভিডিও:

আমার দুগ্গা: অচেনা বাড়ির পুজোয় ঘরের ছেলে সেজে ঢুকে পড়তাম ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.