৩ কার্তিক  ১৪২৬  সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অর্থনৈতিক দুরাবস্থায় পড়ে গায়ের গয়না বেঁচে সংসারের খরচ চালাতে হচ্ছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নূপুর অলংকারকে। শুধু তাই নয়, গয়না বিক্রি করার পাশাপাশি নূপুরের পরিস্থিতি এমন চরম অবস্থায় পৌঁছেছে যে কখনও সহ-অভিনেতা আবার কখনও বা কোনও বন্ধুর কাছ থেকে টাকা ধার করে দিন গুজরান করতে হচ্ছে টেলিভিশনের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে। 

[আরও পড়ুন: মা চললেন কৈলাসে, বিজয়ার শুভেচ্ছা জানালেন টলিউড তারকারা ]

কেন এমন চরম পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হল নূপুর অলংকারকে? আসলে পাঞ্জাব-মহারাষ্ট্র সমবায় ব্যাংকের গ্রাহক ছিলেন নূপুর। আর সেটাই কাল হয়েছিল অভিনেত্রীর। সম্প্রতি পাঞ্জাব-মহারাষ্ট্র সমবায় ব্যাংক ২৫ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে ওই ব্যাংকে যাঁদের অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাঁরা পড়েছেন বেজায় ফাঁপরে। অর্থাৎ, পাঞ্জাব-মহারাষ্ট্র সমবায় ব্যাংক থেকে এই মুহূর্তে কোনও গ্রাহক অর্থনৈতিক লেনদেন করতে পারছেন না। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সেই গ্রাহক তালিকায় রয়েছে জনপ্রিয় টেলি অভিনেত্রী নূপুর অলংকারের নামও। পরিস্থিতি এমন যে, বর্তমানে গয়না বিক্রি করে সংসারের খরচ চালানোর টাকা জোগাড় করতে হচ্ছে নূপুরকে।  

প্রথমটায়, ৬ মাস অন্তর ১০ হাজার টাকা করে এবং ওই ব্যাংক থেকে পরে ২৫ হাজার করে তোলা যাবে বলে জানানো হয় সরকারের তরফে। তবে পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্তের হেরফের হয়। অতএব ৬ মাস অন্তর পর্যাপ্ত অর্থও তুলতে পারেননি নূপুর। তাই টাকা না থাকায় কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে রীতিমতো কপালে ভাঁজ পড়েছে নুপূরের। 

[আরও পড়ুন: দশমীতে জমজমাট মুখার্জিদের পুজো, রানি-কাজলের সঙ্গে সিঁদুর খেললেন করণ জোহর]

এপ্রসঙ্গে নুপূর জানান, “গয়না বেঁচেছি, এক সহ-অভিনেতার কাছ থেকে ৩,০০০ টাকা ধার নিলাম দিন কয়েক আগে। কেউ বা আবার ৫০০০ টাকাও দিয়েছে সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্যে।” এবার কি ঘর চালানোর জন্য আমাকে বাড়ি বন্দক রাখতে হবে! যথাযথ ট্যাক্সও দিয়েছি, তাও আমার আজ এই পরিণতি কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী নূপুর অলংকার। যিনি ‘আগলে জনম মোহে বেটি কিজিয়ো’, ‘ঘর কি লক্ষ্মী বেটিয়াঁ’-র মতো একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং